Breaking News
 
Chirag Paswan: কমিশনের অন্দরে ভিন্নমতের জল্পনা! জ্ঞানেশ বিতর্কে মুখ খুলে কী বললেন জোটসঙ্গী মন্ত্রী? Annapurna Bhandar: উৎসবের মাসে বড় খবর! অন্নপূর্ণা যোজনার অক্টোবরের কিস্তি নিয়ে নয়া বার্তা Egg attack on Sayan Banerjee: ‘কাল এ, বি, সি আক্রান্ত হবে’! সায়নের উপর ডিম হামলায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হাই কোর্টে Goonda Bill West Bengal: গুন্ডাদমন বিল নিয়ে বড় ধাক্কা রাজ্যের? এনডিপিএস আইনের সঙ্গে সংঘাত, খসড়া ফেরালেন রাষ্ট্রপতি CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য

 

kolkata

3 months ago

Dipak Barman: “পড়াশোনাতেই চাকরির আস্থা ফিরবে”—আশাবাদী স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী, এড়ালেন এসএসসি বিতর্ক

Dipak Barman at Bikash Bhavan
Dipak Barman at Bikash Bhavan

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  পড়ুয়াদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানোই নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে জানালেন রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের নবনিযুক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী দীপক বর্মন। বৃহস্পতিবার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিকাশ ভবনে এসে তিনি এই মন্তব্য করেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দীপক বর্মন বলেন, বর্তমানে শিক্ষাব্যবস্থার উপর আস্থা অনেকটাই কমে গেছে। তাঁর কথায়, “পড়াশোনা করলে যে চাকরি হয় এবং শিক্ষকেরা যে সততার সঙ্গে পড়াতে পারেন এই বিশ্বাসটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তা ফিরিয়ে আনাই হবে ‘চ্যালেঞ্জ’।” তিনি কার্যত স্বীকার করেন, স্কুলগুলিতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত বিতর্কিত বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। 

২০২৫-এর এপ্রিলে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে চাকরি গিয়েছে ২৬০০০ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর। ২০১৬ স্কুল সার্ভিস কমিশনের গোটা প্যানেল বাতিলের পর গত বছর থেকেই নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে এসএসসি। সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নইলে বিপদে পড়বেন ২০১৬ প্যানেলে থাকা যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষকেরা। সেই প্রক্রিয়া অনেকখানি এগিয়েছে। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বহু প্রার্থীই সুপারিশপত্র পেয়েছেন বিধানসভা নির্বাচনের আগে। কিন্তু তার পর থমকে গিয়েছে সব কাজ। এখনও নিয়োগপত্র হাতে পাননি। ফলে কাজে যোগ দিতে পারছেন না তাঁরা।  যোগ্য চাকরিহারাদের অনেকেই নতুন করে পরীক্ষা দিয়ে ফের নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। কিন্তু আগামী দিনে কী ঘটতে চলেছে, কবে তাঁরা কাজে যোগ দিতে পারবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাজ করছে। এরই মধ্যে নতুন করে আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনাচ্ছে ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই ২০১০-পরবর্তী ওবিসি বিধি রদ করার কথা জানিয়েছে। সে ক্ষেত্রে বহু প্রার্থীপদ বাতিলের আশঙ্কা রয়েছে।

এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে বৃহস্পতিবার প্রশ্ন করা হয় দীপক বর্মনকে। তবে তিনি সে প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হননি। বলেন, “এসএসসি নিয়ে এত মামলা হয়ে রয়েছে, সবটা না দেখে নিয়ে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। আগে বিষয়টা বুঝে নিতে দিন। একটু সময় লাগবে। এত তাড়াতাড়ি পরিস্থিতি বদলাবে না।” গত ৯ মে রাজ্যে বিজেপি সরকার শপথ নিয়েছে। তার পরই পূর্বতন সরকার মনোনীত সব পদাধিকারিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারই ফলে এই মুহূর্তে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদও শূন্য। থমকে নিয়োগ প্রক্রিয়া। সম্প্রতি ডিআই-দের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ করে পরিস্থিতির সামাল দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এসএসসি-র কেন্দ্রীয় অফিসে স্থায়ী দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত হিসাবে। এই পরিস্থিতি থেকে খুব শীঘ্রই যে বেরিয়ে আসা যাবে না, তারই ইঙ্গিত যেন দিয়ে রাখলেন স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী।

দীপক বর্মন অবশ্য স্বীকার করেন, সারা রাজ্যে সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলি ধুঁকছে। কোথাও শিক্ষকের ঘাটতি, আবার কোথাও শিক্ষকেরা এসে স্কুলে বসে থাকেন, আসে না পড়ুয়া। এ বিষয়ে দীপক বলেন, “সকলকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা হবে। স্কুলশিক্ষার প্রতি আস্থা ফেরাতে সরকার তৎপর হবে সরকার।” 

You might also like!