Breaking News
 
Chirag Paswan: কমিশনের অন্দরে ভিন্নমতের জল্পনা! জ্ঞানেশ বিতর্কে মুখ খুলে কী বললেন জোটসঙ্গী মন্ত্রী? Annapurna Bhandar: উৎসবের মাসে বড় খবর! অন্নপূর্ণা যোজনার অক্টোবরের কিস্তি নিয়ে নয়া বার্তা Egg attack on Sayan Banerjee: ‘কাল এ, বি, সি আক্রান্ত হবে’! সায়নের উপর ডিম হামলায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হাই কোর্টে Goonda Bill West Bengal: গুন্ডাদমন বিল নিয়ে বড় ধাক্কা রাজ্যের? এনডিপিএস আইনের সঙ্গে সংঘাত, খসড়া ফেরালেন রাষ্ট্রপতি CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য

 

Country

57 minutes ago

Chirag Paswan: কমিশনের অন্দরে ভিন্নমতের জল্পনা! জ্ঞানেশ বিতর্কে মুখ খুলে কী বললেন জোটসঙ্গী মন্ত্রী?

Chirag Paswan on CEC Gyanesh Kumar’s resignation demand amid row
Chirag Paswan on CEC Gyanesh Kumar’s resignation demand amid row

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের অন্দরে কথিত মতপার্থক্য নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অপর দুই নির্বাচন কমিশনারের মতামতের সঙ্গে সহমত না হয়েই একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে আলোচনা। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির একাংশ ‘ভোটচুরি’র অভিযোগ তুলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যেই জোটসঙ্গী লোক জনশক্তি পার্টির নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ানও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষের আস্থাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে অসন্তোষ নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছে, তার অবসান ঘটানোর দায়িত্ব জ্ঞানেশ কুমারেরই বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। 

বুধবার সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এসআইআর প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশি ১০ মাসের মধ্যে অন্তত ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছিলেন। যদিও সেই আপত্তি উড়িয়ে একের পর এক একক সিদ্ধান্ত নেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এই বিষয়ে চিরাগ মন্তব্য করেন, “নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে যদি এই ধরনের প্রশ্ন তোলা হয়, তবে আমি মনে করি— দৃঢ়ভাবে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরাও নির্বাচন কমিশন, বিশেষ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) দায়িত্ব। বিরোধী দল কী বলল, তা নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না, কারণ রাজনীতি করাই তাদের কাজ।” নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা থাকা জরুরি। মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনকে জনগণের আস্থা বজায় রাখতে হবে। কারণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়েই যদি জনগণের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়, তবে তা অন্যায় হবে। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের উচিত দৃঢ়ভাবে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরা, যাতে জনগণের মনে কোনও সন্দেহ সৃষ্টি না হয়।” 

উল্লেখ্য, বুধবার সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি বিস্ফোরক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, নির্বাচন কমিশনে ঘোরতর ভিন্নমতের পরিস্থিতি তৈরি হয়! অপর দুই কমিশনারের বক্তব্য উপেক্ষা করে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার গত ১০ মাসে বিভিন্ন বিষয়ে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের লিখিত আপত্তি জানিয়েছিল দুই নির্বাচন কমিশনার। ভোটার তালিকায় নতুন নাম সংযোজন, বাদ দেওয়া, বাদ দেওয়া নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় সংযোজনের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশীর সম্মতি ছিল না।

এরপরেই ভোটচুরি নিয়ে সরব হয় কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি। বৃহস্পতিবার সংবিধান হাতে সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল গান্ধী বলেন, “দেশ বিরোধী কাজ করেছেন জ্ঞানেশ কুমার। ভোট কেড়েছেন মানেই দেশদ্রোহী। অপরাধীদের শাস্তি পেতেই হবে। সব ফাঁস করব আমরা। ” এখানেই না থেমে লোকসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, “জ্ঞানেশ কুমারের নিয়োগের সময়েও আপত্তি তুলেছিলাম। গণতন্ত্রের উপর এত বড় আক্রমণ আগে হয়নি। ভোটজালিয়াতি নিয়ে ছেড়ে কথা বলবে না কংগ্রেস। কারণ ভোট কাড়া হচ্ছে মানে গণতন্ত্রকেও ধ্বংস করা হচ্ছে।” জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে রাহুল বলেন, “২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে ভোটচুরি হয়েছে, আমি একশো শতাংশ নিশ্চিত।” এদিকে ‘ভোটচুরি’র অভিযোগ নিয়ে আসরে নেমেছে জেন-জিদের দল ককরোচ জনতা পার্টিও। তারাও সাংবাদিক সম্মেলন করে অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা দাবি করেছে।  


You might also like!