Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

Country

1 hour ago

Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের

Bombay High Court orders total ban on firecrackers on streets
Bombay High Court orders total ban on firecrackers on streets

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:   উৎসবের মরশুম এলেই মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তে বাড়তে থাকে বায়ু দূষণের মাত্রা। একই সঙ্গে আতসবাজি এবং বিভিন্ন উৎসবের আয়োজনকে ঘিরে শব্দ দূষণও উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে। এই জোড়া দূষণ নিয়ন্ত্রণে এ বার একাধিক নির্দেশিকা জারি করল বম্বে হাই কোর্ট। বিচারপতি জিএস কুলকার্নি এবং বিচারপতি নীলা গোখলের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী, এ বার উৎসবের মরশুমে খোলা রাস্তা কিংবা জনসমক্ষে আতসবাজি পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে উৎসবের কোনও অনুষ্ঠান বা আয়োজনে লেজার রশ্মি ব্যবহারের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 

বম্বে হাই কোর্ট রায়ে রাস্তায় আতসবাজি পোড়ানোর উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। নিষিদ্ধ করা হয়েছে লেজার লাইট, ‘হাই-ইনটেনসিটি’ তথা উচ্চ মাত্রার ‘লুমেন লাইট’ এবং ‘বিম’ও। এই সময় নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে শব্দ সংক্রান্ত কোনও নিয়মই মানা হয় না বলে অভিযোগ। কোর্টের নির্দেশ- সাউন্ড লিমিটার, ডেসিবেল মিটার অনুষ্ঠানস্থলে লাগাতে হবে। ১ লক্ষের সিকিউরিটি ডিপোজিটও জমা রাখতে হবে। পুরো বিষয়টিতে নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

মূলত মুম্বই, পুণে, থানে, নাসিকের মতো বড় শহরে শব্দ ও দৃশ্যদূষণ রুখতে একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় এই নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। আদালত বলছে, স্রেফ খাতায় কলমে নিয়ম করলে হবে না। বাস্তবে সেই আইন কার্যকরও করতে হবে। আদালত বলছে, আগেও আতসবাজি নিয়ন্ত্রণের জন্য, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য আইন ছিল। সেই আইন কার্যকরের ক্ষেত্রে অনীহা দেখা গিয়েছে প্রশাসনের তরফে। সেটা এবার করতে হবে। অতীতে দিওয়ালিতে বাজি বন্ধ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছে। বাজি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেও একাধিকবার পিছিয়ে আসতে হয়েছে সরকারকে। এবার অবশ্য বাজি পড়ানো পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়। খোলা রাস্তা বা জনসমক্ষে না পোড়ালেই হল। ব্যক্তিগত পরিসরে বাজি পোড়ানো যাবে।

You might also like!