West Bengal

57 minutes ago

Nandigram By Poll: ঋতপন্থী প্রার্থীর পাশে মদন, মুখে মমতার ‘জোড়াফুল’! নন্দীগ্রামে কেন এই মন্তব্য?

Ritabrata Banerjee &  Madan Mitra
Ritabrata Banerjee & Madan Mitra

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  তৃণমূলের স্বত্ব এবং জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যখন দুই শিবিরের টানাপোড়েন চলছে, ঠিক সেই আবহেই বুধবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের প্রার্থী মহম্মদ এহতেশামুল হক। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ হলদিয়া মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন সঞ্চিতা। এরপর দুপুরে একই দফতরে মনোনয়ন জমা দিতে যান এহতেশামুল। এহতেশামুলের সঙ্গে ছিলেন ঋতব্রতপন্থী শিবিরের তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সেখানে তিনি বলেন, “জোড়াফুল প্রতীক মমতার। সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু যে দিন থেকে মমতা এবং অভিষেক জোড়াফুলের দাবিদার, তখন থেকেই ভাঙন শুরু হয়েছে।” 

তৃণমূলের দু’পক্ষই ঘাসফুল প্রতীক দাবি করে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। গত শনিবার দু’পক্ষের সঙ্গে বৈঠকেও বসে কমিশন। যদিও সে দিন বিবাদের মীমাংসা হয়নি। উল্টে ১৬ সেপ্টেম্বর, অর্থাৎ আজ বুধবারের মধ্যে দুই শিবিরের কাছেই বেশ কিছু নথি চাওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে ১৭ সেপ্টেম্বর আবার একপ্রস্ত বৈঠক কিংবা শুনানি করতে পারে কমিশন। তার আগে দু’পক্ষই মনোনয়ন জমা দিয়েছে। মদন অবশ্য দাবি করেছেন, বৃহস্পতিবার এই বিবাদের মীমাংসা হতে পারে। নিজেদের রায় জানিয়ে দিতে পারে কমিশন।শুধু তা-ই নয়, কমিশন যে তাদের পক্ষেই রায় দেবে, অর্থাৎ, দলের স্বত্ব এবং প্রতীক তাদের হাতেই থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মদন। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্য উপদেষ্টা হিসেবে রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উনি আমাদের সঙ্গে থাকেননি।’

প্রতীক বিতর্কের প্রেক্ষিতে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতাও বলেছেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাক্ষরিত সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে আমাকে মনোনয়ন জমা করতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই মতো আমি মনোনয়ন জমা করেছি। বাকি দল যে ভাবে নির্দেশ দেবে, সেই ভাবে আগামী দিনে নির্বাচনী কার্মকাণ্ড চলবে।’ উপনির্বাচনের আগে প্রতীক-বিবাদে কমিশন কোনও রায় দেবে না, তা ভবিষ্যৎই বলবে। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, কমিশন এখনই সরাসরি কোনও রায় না দিয়ে প্রতীক নিয়ে অন্তর্বর্তিকালীন কোনও নির্দেশও পারে। সেটা না হলে আরও কয়েকটি সম্ভাবনার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞেরা। কারও মতে, মীমাংসা হওয়া পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীক ‘ফ্রিজ়’ও করে দিতে পারে কমিশন। সে ক্ষেত্রে উপনির্বাচনে লড়ার সময়ে দু’পক্ষকেই অস্থায়ী নাম এবং প্রতীক নিতে হবে কমিশনের কাছ থেকে। 

You might also like!