West Bengal

1 hour ago

Nandigram Bye Election: ‘সুসময়-দুঃসময় বলে কিছু হয় না’! মনোনয়ন জমা দিয়ে নন্দীগ্রামে বার্তা সঞ্চিতার

Sanchita Dey is TMC Nandigram candidate
Sanchita Dey is TMC Nandigram candidate

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:   নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে মঙ্গলবারই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন হাসিরানি রথ। এবার বুধবার সকালে হলদিয়া মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে। তাঁর সঙ্গে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা তথা রামনগরের প্রাক্তন বিধায়ক অখিল গিরি। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে দুই শিবিরের প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। 

সঞ্চিতা বলেন, ‘ভোটের ময়দানে লড়াই সব সময়েই কঠিন হয়। আমরা সর্বশক্তি দিয়ে লড়ব। হার-জিত আছে। দুঃসময় বা সুসময় বলে কিছু হয় না। লড়াইয়ের ময়দানে আগেও ছিলাম। আগামী দিনেও থাকব।’ রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অখিল বলেন, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে প্রার্থী করা হয়েছে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে। উনি আজ মনোনয়ন জমা দিলেন। আমরা চাই নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ হয়।’ নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে নানা জল্পনা ছিল দলের অন্দরে। শেষমেশ গত রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ওই আসনে সঞ্চিতা প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেয়। তৃণমূল সূত্রে খবর, দলের সুসময়ে সঞ্চিতা কোণঠাসা হয়ে ছিলেন। অভিযোগ, স্থানীয় স্তরে নতুন নেতানেত্রীদের ভিড়ে কখনওই সেই ভাবে গুরুত্ব পাননি তিনি। যার জেরে ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটে নির্দল হয়ে লড়তে হয়েছিল তাঁকে। যদিও জিততে পারেননি। এখন কার্যত দুঃসময়ে সেই সঞ্চিতাকেই প্রার্থী করলেন মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। 

নন্দীগ্রামের বয়ালের বাসিন্দা সঞ্চিতা পেশায় শিক্ষিকা। তবে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ২০১৩ এবং ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। জিতেওছিলেন দু’বার। প্রথম বার থম বার নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের কর্মাধ্যক্ষ হয়েছিলেন। পরের বার শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের টেট মামলায় ২০২২ সালে মোট ২৬৯ জন প্রাথমিক শিক্ষককে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।  

You might also like!