Breaking News
 
TMC Symbol Row: প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েন বহাল! নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ নয়, দ্রুত ফয়সলার বার্তা সুপ্রিম কোর্টের Bihar Horror: বিহারে ফের কিশোরীকে হেনস্তার অভিযোগ! পথ আটকে অশালীন আচরণ, সমাজমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিয়ো Supreme Court: ‘অন্তর্কলহ’ বিতর্কে চাপে জ্ঞানেশ! এর মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি কন্যা মেধার Adani Arogya Mandir: বাংলার স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ! নিউটাউনে আদানিদের ২০০০ বেডের হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শুভেন্দুর Gautam Adani at Kolkata: কালীঘাটে পুজো দিয়ে দিন শুরু আদানির! নিউটাউনে হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর, বৈঠক শুভেন্দুর সঙ্গে EC Dissent Row: ‘জ্ঞানেশ, আপনার খেলা শেষ’! কমিশনের অন্তর্কলহের দাবি ঘিরে ‘আরশোলা’-দের বিস্ফোরক বার্তা

 

kolkata

1 hour ago

Adani Arogya Mandir: বাংলার স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ! নিউটাউনে আদানিদের ২০০০ বেডের হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শুভেন্দুর

Chief Minister at the foundation stone laying ceremony of Adani Arogya Mandir
Chief Minister at the foundation stone laying ceremony of Adani Arogya Mandir

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  পালাবদলের পর রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবার মান আরও উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই লক্ষ্যেই স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় নতুন সংযোজন হতে চলেছে ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’। বৃহস্পতিবার নিউটাউনে এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। দু’হাজার শয্যার এই হাসপাতাল তৈরি হলে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় একটি বড় পরিকাঠামোগত সংযোজন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। হাসপাতালের মোট শয্যার মধ্যে এক হাজারটি দরিদ্র ও আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য রাখা হবে। তাঁদের জন্য ওই এক হাজার শয্যার চিকিৎসা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। 

মাস চারেক আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ করতে চলেছে আদানি গোষ্ঠী। তিনি জানিয়েছিলেন, আদানি গ্রুপ এ নিয়ে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। নিউটাউনে গড়ে উঠবে ২০০০ হাজার শয্যার অত্যাধুনিক মানের হাসপাতাল। এই হাসপাতালে বিশেষ পরিষেবা পাবেন দরিদ্ররা। জানা গিয়েছিল, ওই হাসপাতালের ১০০০ বেড বরাদ্দ থাকবে শুধুমাত্র গরিবদের জন্য। বাকি ১০০০ বেড বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহার হবে। এতে রাজ্যবাসী উপকৃত হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বৃহস্পতিবার নিউটাউনে ৫১ একর জমিতে সেই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশেই ছিলেন আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালের জন্য চার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে আদানিরা। আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাংলায় লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে আদানিরা।  এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলার জন্য এটা ঐতিহাসিক দিন। দেশের কোথাও গরিবদের জন্য এমন ব্যবস্থা নেই।” তিনি আরও জানান, বাংলাকে পুর্নগঠনে ইচ্ছুক আদানি গোষ্ঠী। এদিনের অনুষ্ঠান থেকে বাম ও তৃণমূলকে একযোগে বিঁধলেন তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি নিশানা করে বললেন, “উনি শুধু করব করব বলেছেন আর ভাতা দিয়েছেন।”  অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, কীভাবে কথা এগিয়েছিল আদানিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, “আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই করণ আদানি আমার সঙ্গে দেখা করেন। তিনিই বলেছিলেন মর্ডান হাসপাতাল তৈরি করতে চান নিউটাউনে। আমি সম্মতি দিই। আমি ওদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গৌতম আদানিজির সবুজ সংকেত মিলতেই কয়েক মাসের মধ্যেই ভূমিপুজোও হয়ে গেল।” এরপরই শুভেন্দু বলেন, “৫১ একর জমির উপর এই হাসপাতালে ৫০ শতাংশ  বেড (১০০০ বেড) পাবেন গরিবরা। তা একেবারে বিনামূল্যে। একটা একটা বড় বিষয়। এটা গোটা ভারতে কোথাও নেই। এই ধরণের হাই স্ট্যান্টার্ড হাসপাতালে গরিবদের চিকিৎসা কোথাও হয় না। তাই বাংলার জন্য আজ একটা ঐতিহাসিক দিন। এটা একটা মাইলস্টোন। হাসপাতালকে কেন্দ্র করে নিউটাউনে স্বাস্থ্যনগরী তৈরি হবে।”   

এদিনের মঞ্চ থেকে আদানিদের বাংলায় আরও বিনিয়োগের জন্য ডাক দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বাংলা অনেক দুর্ভোগ সহ্য করেছে। বাম আমলে ইউনিউনের ঝামেলায় ৫৪টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। গত ১৫ বছরে তৃণমূল সরকার শিল্প নিয়ে আগ্রহীই ছিল না। ওরা শুধু ভাতা দিয়েছে আর রাজনীতি করেছে। তাই আমি আদানিজিকে বলব, আপনিই পারবেন বাংলাকে দাঁড় করাতে। তাই প্লিজ আমাকে সাহায্য করুন।” উল্লেখ্য, দাদনপাত্র বারে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করবে আদানিরা। বন্দর ও স্বাস্থ্যখাত ছাড়াও বাংলায় আরও বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। এদিন গৌতম আদানি জানান, ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলায় লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। বন্দর, পণ্য পরিবহণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বণ্টন, সড়ক, সেতু, সিমেন্ট কারখানা এবং হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার-একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করবে তাঁরা। ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে। বেকারত্ব কমবে।

প্রসঙ্গত, সিঙ্গুর থেকে টাকা চলে গিয়েছে বহু বছর আগে। তারপর আর সে অর্থে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ হয়নি বাংলায়। তৃণমূল জমানায় রাজ্যে বিনিয়োগের হয়নি বললেই চলে। যদিও একাধিকবার রাজ্যের তরফে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্যের মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে বলেও দাবি করেছিল তৎকালীন তৃণমূল সরকার। কিন্তু তার বাস্তবায়ন দেখতে পায়নি বাংলা। পালাবদলের পর রাজ্যে শিল্প এবং বিনিয়োগের হাল ফেরাতে তৎপর হন মুখ্যমন্ত্রী।   

You might also like!