kolkata

53 minutes ago

Calcutta High Court: আইএসএফের ‘খাম’ প্রতীক হাতছাড়া কেন? নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের

Nawsad Siddique
Nawsad Siddique

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  দলীয় নির্বাচনী প্রতীক হাতছাড়া হওয়ার ঘটনায় এ বার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফ। নিজেদের প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে দায়ের করা মামলায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দলটি। একই নির্বাচনী প্রতীক কী ভাবে দু’টি রাজনৈতিক দলকে বরাদ্দ করা হল, শুনানিতে সেই প্রশ্নই তুলেছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে রিপোর্টও তলব করেছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি বৃহস্পতিবার। ফলে আইএসএফের নির্বাচনী প্রতীক সংক্রান্ত এই মামলায় আগামী শুনানিতে আদালতের অবস্থানের দিকে নজর থাকছে। 

২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল আইএসএফ। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী এই দল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে সেটির নেতৃত্ব শুরু থেকে এখন দিয়ে আসছেন তাঁরই ছোটভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করে আইএসএফ। হাতে সময় থাকায় সেসময় কোনও প্রতীক নির্বাচন কমিশনের তরফে পাওয়া যায়নি। সেসময় খাম চিহ্নে লড়াই করেছিল আইএসএফ। সেই বছর ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নওশাদ সিদ্দিকী ভোটে জিতেছিলেন। এবারও ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে খাম চিহ্নে আইএসএফ লড়াই করেছে। এবারও ওই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন নওশাদ। এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের স্থায়ী প্রতীকের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছে আইএসএফ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে এই প্রতীক নিয়েই লড়াই করছিল আইএসএফ। 

কিন্তু সেই আবহে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। ঋতব্রত তৃণমূল কংগ্রেসকে ‘খাম’ প্রতীক দেওয়া হয়েছে। আইএসএফ ও ঋতব্রত তৃণমূল কে এই চিহ্নে লড়বে? সেই নিয়ে জোর জল্পনা দেখা যায়। পরে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, এবার উপ নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য আলমারি প্রতীক চিহ্ন আইএসএফ-কে দেওয়া হল। কিন্তু খাম চিহ্নেই লড়তে চায় আইএসএফ। প্রতীক ফিরে পেতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন নওশাদরা। আইএসএফের হয়ে এই মামলার শুনানি করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। ২০২১ সাল থেকে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট ‘খাম’ প্রতীক ব্যবহার করছে, যা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেই দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সেই প্রতীকই অন্য একটি অননুমোদিত রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে বলে আদালতে অভিযোগ করেন বিকাশ।

শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কমিশনের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে একই প্রতীক দুটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হল? কমিশনের পক্ষে আইনজীবী অমৃতা পাণ্ডে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রতীকের কোনও বিশেষত্ব নেই। কমিশন যে কাউকেই এই প্রতীক দিতে পারে। বিচারপতির পালটা প্রশ্ন, কীভাবে এটি সম্ভব? কমিশনের আইনজীবী জানান, এটি একটি ফ্রি সিম্বল। যদিও সেই বক্তব্য বিচারপতি খুব একটা যুক্তিযুক্ত বলে মনে করেননি। কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দল একই প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে? কমিশনকে জানাতে হবে বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছে।


You might also like!