
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের আয়ুষ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। বৈদিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকেও আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে আয়ুষকে স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দপ্তরের দায়িত্বে একজন দক্ষ আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে বলেও জানানো হয়। কেন্দ্রের একাধিক সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ তুলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আয়ুষ ব্যবস্থাকে মানুষের স্বার্থে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি এদিন আরও একাধিক কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করেন তিনি।
আজ, মঙ্গলবার কল্যাণীতে সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় দু’ঘন্টারও বেশি সময় ধরে চলে এই বৈঠক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মূলত তিনটি বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে এদিনের বৈঠকে। যার মধ্যে অন্যতম সমন্বয় বৃদ্ধি করা। স্বাস্থ্যক্ষেত্রকে আরও গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রাকবর্ষার কাজে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেখানেই আয়ুষ নিয়ে বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, আয়ুষকে আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এজন্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন নেওয়া হবে। আয়ুষের মাথায় বসানো হবে একজন দক্ষ আধিকারিককেও। মানুষের জন্য গোটা বাংলাতেই আয়ুষকে কাজে লাগানো হবে বলেও এদিন জানান শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি আগামী জুন মাসজুড়ে একাধিক কর্মসূচিরও ঘোষণা করেন তিনি।
শুভেন্দু জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ১২ বছর সম্পূর্ণ হয়েছে নরেন্দ্র মোদির। তা মাথায় রেখেই আগামী ৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত একাধিক কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই কর্মসূচিতে যোগ দেবে। শুভেন্দুর কথায়, আগামী ৫ জুন সমস্ত পুরসভা এলাকায় মায়ের নামে একটি গাছ লাগানো হবে। এজন্য সমস্ত বিধায়কদের গাছ অরণ্য দপ্তর দেবে। তা এলাকার মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে। বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে ‘এক পেড় মা কে নাম’ কর্মসূচির ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরিবেশ দিবসকে মাথায় রেখে এই কর্মসূচি গত কয়েকবছর আগে নেওয়া হয়। এবার সেই কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে বাংলাতেও।
এছাড়াও কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণা, আগামী ১৫, ১৬ এবং ১৭ জুন রাজ্যে জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হবে। সমস্ত বিডিও, সিও, কমিশনাররা দায়িত্ব নিয়ে বিধায়ক, সাংসদদের উপস্থিতিতে এই জনকল্যাণ শিবির করবেন। এই শিবিরের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমস্ত সুবিধা সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি আগামী ২১ জুন রাজ্যে বড় করে এবার যোগদিবস পালন করা হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
