Breaking News
 
SIR in West Bengal: কমিশনের পরাজয় ‘সুপ্রিম’ আদালতে! লজিক্যাল অসংগতির তালিকা প্রকাশের নির্দেশ, অভিষেকের কটাক্ষ Supreme Court on SIR: এসআইআর মামলায় তৃণমূলের বড় জয়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য Supreme Court: বিডিও-র জালে এবার আইন! স্বর্ণকার খুনের ঘটনায় মিলল না আগাম জামিন, আত্মসমর্পণের কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের SSC: এসএসসিতে বয়সের ছাড়ে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের; বিপাকে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী Prime Minister Narendra Modi :সিঙ্গুরে মোদী-ম্যাজিক কি ফিকে? শিল্পের দিশা না পেয়ে মাঝপথেই সভা ছাড়লেন সমর্থকরা—অস্বস্তির মুখে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব Abhishek Banerjee: ‘বাংলা নয়, সময় হয়েছে আপনাদের পাল্টানোর!’ সিঙ্গুরের মঞ্চ থেকে মোদীর আক্রমণের জবাবে হুঙ্কার দিলেন অভিষেক

 

Life Style News

1 year ago

Migraine Attack- মাইগ্রেন থেকে বাঁচার খুব সহজ টিপস, জেনে নিন ঘরোয়া টোটকা

Migraine Attack
Migraine Attack

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃমাইগ্রেন কোনও সাধারণ মাথা ব্যথা নয়, এটি একধরণের নিউরোলজিক্যাল সমস্যা। তীব্র মাথা ব্যাথার সঙ্গে সঙ্গে বমি বমি ভাব, চোখে ব্যথা এমনকী মুখ ও চোয়ালেও ব্যথা হতে পারে। অসহ্য যন্ত্রনার থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া কিছু উপায় জেনে নিন।

মাইগ্রেনের উপসর্গ

এ ক্ষেত্রে মাথা দপদপ করে। মনে হয়, মাথার ভিতর থেকে ব্যথা হচ্ছে। জেনারেল ফিজ়িশিয়ান সুবীর কুমার মণ্ডলের কথায়, ‘‘মাইগ্রেনের ব্যথা সাধারণত মাথার এক দিকে হয়, ডান অথবা বাঁ। সময়বিশেষে দিক পরিবর্তিত হতে পারে।’’ তবে মাথার দু’দিকেই যে এ ব্যথা হতে পারে না, তা-ও নয়। বমি-বমি ভাব থাকতে পারে।

চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ সুমিত চৌধুরী জানালেন, ব্যথা শুরু হওয়ার আগে চোখেও অস্বস্তি হয়। অনেকের ক্ষেত্রে, চোখের সামনে আলোর ঝিলিক ওঠে। যেন কিছু একটা চোখের সামনে ঘুরে বেড়ায়। এ ছাড়া অনেক গ্লকোমা রোগীরও মাইগ্রেনের সমস্যা থাকে।

এই ব্যথার উৎস কী? মাইগ্রেন জিনঘটিত রোগ। পরিবারের কারও থাকলে, হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মস্তিষ্কের ট্রাইজেমিনাল নার্ভ উত্তেজিত হলে এই ব্যথা হয়। সেরেটোনিন নামক কেমিক্যালের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে এই ব্যথা হয় বলে মত চিকিৎসকদের।

কাদের বেশি হয়?

পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের মাইগ্রেনের সমস্যা বেশি দেখা যায়। তার কারণ হরমোনগত বিভেদ। মহিলাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের কারণেই মাইগ্রেনের প্রকোপ বেশি। তাই অনেক মেয়ের বয়ঃসন্ধিক্ষণে প্রথম ঋতুস্রাবের সঙ্গেই মাইগ্রেনের সমস্যাও পাশাপাশি শুরু হয়। আবার অনেকের মেনোপজ়ের পরে এই সমস্যা দূর হয়ে যায়। যে সব মহিলারা ওরাল কনট্রাসেপটিভ পিল খান, তাঁদের ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের সমস্যা বেশি দেখা যায়। আবার মহিলাদের জরায়ুতে অস্ত্রোপচার হলে, অনেক সময় হরমোন থেরাপির কিছু ওষুধ দেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রেও তাঁদের মাইগ্রেনের সমস্যা নতুন করে দেখা দেয়।

চিকিৎসা

সাধারণত মাইগ্রেনের ব্যথায় পেনকিলার দেওয়া হয়। তবে দীর্ঘ দিন ধরে তা খেলে অন্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। রোগী নিজে থেকে যদি কোনও পেনকিলার খেতে শুরু করেন, তার পরিণাম আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ সর্বাগ্রে প্রয়োজন। প্রেশার, টেনশনের রোগীদের সংশ্লিষ্ট ওষুধের ডোজ় কমিয়ে দেওয়া হয়। এতে অনেকটাই আরাম পাওয়া যায়।

• খাদ্যাভ্যাস বদলে মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণ করা যায়। যাঁদের মাইগ্রেন রয়েছে, অতিরিক্ত কফি তাঁদের জন্য ক্ষতিকর। তবে মাইগ্রেনের অনেক ওষুধে কফির উপাদান থাকে। তাই পরিমিত কফি মাইগ্রেনের ব্যথায় উপশম দেয়। চকলেট, রেড ওয়াইন‌, ড্রাই ফ্রুটস, চিজ় জাতীয় খাবারও তাঁরা এড়িয়ে চললে ভাল।

• উপকারী তেল: ইউক্যালিপটাস অয়েল, মিন্ট অয়েল দিয়ে মাথায় মাসাজ করলে আরাম পাওয়া যায়। পাশাপাশি আরও যে উপসর্গ থাকে, তা-ও কম হয়। ল্যাভেন্ডার অয়েল যদি রোগী সেবন করেন, তা পনেরো মিনিটের মধ্যে কাজ করে।

• রোগীর বিচক্ষণতা: এমন অনেক সুগন্ধী আছে, যা রোগীর যন্ত্রণা বাড়িয়ে দেয়। এগুলো সব সময়ে ব্যক্তিভিত্তিক। তাই রোগীকে বুঝতে হবে, কোন খাবারে সমস্যা হচ্ছে, কোন গন্ধে ব্যথা বাড়ছে। তবেই চিকিৎসক সাহায্য করতে পারবেন।

• পথ্য: কাজুবাদাম, ওয়ালনাট ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ হয় বলে খেতে পারেন। আদা কুচি চিবোলে উপকার পাওয়া যায়। সানফ্লাওয়ার অয়েলে রান্না করলেও রোগীর জন্য ভাল।

• চশমার ব্যবহার: মাইগ্রেনের রোগীরা অনেক সময়ে আলো সহ্য করতে পারেন না। চোখ যেন ঠান্ডা থাকে, সেই জন্য টিন্টেড গ্লাসের চশমা তাঁদের দেওয়া হয়। এতে রোগীর চোখ অনেক আরাম পায়।

মাইগ্রেনের ব্যথা পুরোপুরি নিরাময় হয় না। তবে লাইফস্টাইল বদলে এই ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ব্যথার উপশমে

• মাইগ্রেনের ব্যথায় বমি-বমি ভাব থাকে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত বমি হয় না। বমির তোড় বেশি হলে তা অন্য কোনও রোগের লক্ষণ হতে পারে

• মাইগ্রেনের ব্যথা পিরিয়োডিক। যখন হবে টানা তিন-চার দিন থাকবে। তার পরে পুরোপুরি সেরে গিয়ে আবার ফিরে আসবে। মাসে একাধিক বার হলে বা তীব্রতা বাড়লে অবশ্যই চিকিৎসকের সাহায্য নিন

• এই ব্যথা নিয়েই যেহেতু চলতে হবে, তাই যতটা সম্ভব রোগীর নিজের সতর্ক থাকা প্রয়োজন। খাদ্যাভাস বদলে, জীবনধারণের পদ্ধতিতে বদল এনে ব্যথাকে নিয়ন্ত্রণে রাখাই শ্রেয় বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা


You might also like!