
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: শরীর সাজাতে আজকাল ট্যাটু করানোর চল বেড়েছে অনেকটাই। হাত, পা, ঘাড় কিংবা বুকে আঁকা নকশা শুধু ব্যক্তিত্বের প্রকাশই নয়, অনেকের কাছে তা সাহস ও রুচির পরিচয়। ট্যাটুবিলাসীরা সৌন্দর্যের জন্য যেমন প্রশংসা পান, তেমনই শীতকাল এলেই তাঁদের অনেকেই পড়েন সমস্যায়।
শীতের সময় বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকায় ত্বক স্বাভাবিকভাবেই শুষ্ক হয়ে পড়ে। ট্যাটু করা অংশের ত্বক তুলনামূলক বেশি সংবেদনশীল হওয়ায় সেখানে শুষ্কতা আরও বেশি দেখা যায়। অনেকের ক্ষেত্রে ট্যাটুর চারপাশের ত্বক খসখসে হয়ে ওঠে, রং ফিকে লাগতে শুরু করে। আবার চুলকানি এতটাই বাড়ে যে অনিচ্ছাকৃতভাবে নখের আঁচড় লেগে কেটে যাওয়া বা রক্তপাতের ঘটনাও ঘটে। এর ফলে সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
রইল সমাধানের কয়েকটি কৌশল -
১। মনে রাখবেন, ট্যাটুর সবচেয়ে বড় শত্রু শীত। এই সময় ট্যাটু করা জায়গায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। সমস্যা থেকে রেহাই পেতে প্রতিদিন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। তাতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।
২। ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে এই সময়ে খুব বেশি গরম জলে স্নান করেন অনেকেই। তবে ট্যাটুবিলাসীরা এই কাজ করবেন না। তাতে সমস্যা আরও বাড়বে।
৩। শীতপোশাকও অনেক সময় ট্যাটু বিরোধী হয়ে উঠতে পারে। ট্যাটুর উপর খুব বেশি চাপা সোয়েটার, থার্মাল পরবেন না। তাতে ত্বকে চুলকানি, জ্বালাভাবের সমস্যা হতে পারে।
৪। শীতে অতিরিক্ত চুলকানির সমস্যা দেখা দিলে ট্যাটুর উপর হালকা করে ব্যান্ডেজ করে রাখুন। তাতে কিছুটা আরাম পেতে পারেন।
৫। শীতকালে অনেকে সানস্ক্রিন মাখতে চান না। আপনি ট্যাটুবিলাসী হলে এই কাজ করবেন না। বাড়ির বাইরে বেরনোর সময় অবশ্যই সানস্ক্রিন মাখুন।
প্রতিদিন বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে অবশ্যই ট্যাটু থাকা ত্বক পরিষ্কার করুন। রুটিন মেনে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। সঠিক যত্ন নিলে শীতকালেও ট্যাটু থাকবে উজ্জ্বল, ত্বক থাকবে মাখনের মতো নরম—আর সৌন্দর্যও থাকবে অটুট।
