Breaking News
 
Supreme Court Order: আদালতের খবর প্রকাশে বাধা নেই, তবে অডিও-ভিডিও ক্লিপে নিষেধাজ্ঞা, সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের Nadia Zilla Parishad: তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ বড় চমক! মাত্র ৬ সদস্য নিয়েই নদিয়া জেলা পরিষদ দখলে বিজেপি Panchayat tax fake news: পঞ্চায়েত কর ১২০০ টাকা? জল্পনায় জল ঢালল রাজ্য, ভুয়ো খবর নিয়ে সতর্কতা জারি Cockroach Janata Party: নিট আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির ময়দানে? বড় ইঙ্গিত ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা দীপকের Adhir Ranjan Chowdhury: ‘চিকিৎসা কোথায় হবে, তা ব্যক্তির সিদ্ধান্ত’—অভিষেকের পাশে অধীর, ‘খোকাবাবু’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক Agnimitra Paul: প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল পড়ুয়াদের রক্তদান! দুর্গাপুরে অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, সরব অগ্নিমিত্রা পাল

 

Life Style News

5 hours ago

Curd in Monsoon: বর্ষায় দই খেলে কি সত্যিই সর্দি-কাশি হয়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? জানুন বিস্তারিত

Curd in Monsoon
Curd in Monsoon

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  বর্ষাকাল এলেই অনেকের খাদ্যতালিকা থেকে দই বা ঘোল বাদ পড়ে যায়। কারণ, প্রচলিত ধারণা—এই সময় দই খেলেই নাকি সর্দি-কাশি হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। তবে পুষ্টিবিদ ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং পরিমিত পরিমাণে তাজা দই বা ঘোল খাওয়ার অভ্যাস অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াতে সাহায্য করে।

দই এবং ঘোলে প্রচুর পরিমাণে প্রোবায়োটিক বা উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে। এগুলি অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যার ফলে হজমের প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে। নিয়মিত তাজা দই খেলে বদহজম, গ্যাস, অম্বল, পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যার ঝুঁকিও অনেকটাই কমে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ অন্ত্র মানেই শরীরে পুষ্টি উপাদান শোষণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়া। তাই দুপুরের খাবারের সঙ্গে এক বাটি দই বা এক গ্লাস পাতলা ঘোল রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি সহজে গ্রহণ করতে পারে। পাশাপাশি অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বজায় থাকায় শরীরও সারাদিন সতেজ থাকে।

চিকিৎসকদের দাবি, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি বড় অংশ অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল। প্রোবায়োটিকসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেলে অন্ত্রের পরিবেশ সুস্থ থাকে এবং মৌসুমি ভাইরাস বা সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীর আরও কার্যকরভাবে লড়াই করতে পারে। অনেকেই মনে করেন, বর্ষায় বা গলা ব্যথা থাকলে দই খেলেই সর্দি বাড়ে। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, সর্দি-কাশির মূল কারণ ভাইরাস। তাজা দই খাওয়ার সঙ্গে এর কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। তবে ফ্রিজ থেকে বের করা অতিরিক্ত ঠান্ডা বা বাসি দই খেলে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের গলায় সাময়িক অস্বস্তি হতে পারে। তাই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এনে তাজা দই খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।

পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, প্রতিদিনের দুপুরের খাবারের শেষে এক বাটি তাজা দই বা ধনেপাতা, ভাজা জিরে ও সামান্য গোলমরিচ মিশিয়ে তৈরি পাতলা ঘোল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে হজম ভালো হওয়ার পাশাপাশি শরীর পর্যাপ্ত প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও উপকারী ব্যাকটেরিয়া পাবে। চিকিৎসকের বিশেষ নিষেধ না থাকলে বা ডেয়ারি পণ্যে অ্যালার্জি না থাকলে বর্ষাকালে দই খাওয়া বন্ধ করার কোনও প্রয়োজন নেই। বরং সঠিক নিয়মে তাজা দই বা ঘোল খেলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এবং বর্ষাতেও সুস্থ থাকা অনেক সহজ হবে।

You might also like!