Breaking News
 
Supreme Court Order: আদালতের খবর প্রকাশে বাধা নেই, তবে অডিও-ভিডিও ক্লিপে নিষেধাজ্ঞা, সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের Nadia Zilla Parishad: তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ বড় চমক! মাত্র ৬ সদস্য নিয়েই নদিয়া জেলা পরিষদ দখলে বিজেপি Panchayat tax fake news: পঞ্চায়েত কর ১২০০ টাকা? জল্পনায় জল ঢালল রাজ্য, ভুয়ো খবর নিয়ে সতর্কতা জারি Cockroach Janata Party: নিট আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির ময়দানে? বড় ইঙ্গিত ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা দীপকের Adhir Ranjan Chowdhury: ‘চিকিৎসা কোথায় হবে, তা ব্যক্তির সিদ্ধান্ত’—অভিষেকের পাশে অধীর, ‘খোকাবাবু’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক Agnimitra Paul: প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল পড়ুয়াদের রক্তদান! দুর্গাপুরে অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, সরব অগ্নিমিত্রা পাল

 

West Bengal

1 hour ago

Nadia Zilla Parishad: তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ বড় চমক! মাত্র ৬ সদস্য নিয়েই নদিয়া জেলা পরিষদ দখলে বিজেপি

BJP wins Nadia Zilla Parishad
BJP wins Nadia Zilla Parishad

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  নদিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি নির্বাচনে চমকপ্রদ ফলাফল। তৃণমূলের ‘বিবেক ভোট’-এর জেরে বিজেপি প্রার্থী প্রণতি বিশ্বাস জয়ী হয়ে সভাধিপতির আসন দখল করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ঘটনায় জেলার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। দায়িত্ব গ্রহণের পরই প্রণতি বিশ্বাস দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। অন্যদিকে, এই জয়কে তৃণমূলের বিরুদ্ধে জমে থাকা ক্ষোভ, অনাস্থা এবং দুর্নীতির অভিযোগের প্রতিফলন বলে দাবি করেছেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। প্রসঙ্গত, ‘বিবেক ভোট’ বলতে এমন একটি ভোটপ্রক্রিয়াকে বোঝায়, যেখানে কোনও জনপ্রতিনিধি দলের নির্দেশ বা হুইপের বাইরে গিয়ে নিজের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট দিতে পারেন। তৃণমূলের সেই ‘বিবেক ভোট’-এর ফলেই নদিয়া জেলা পরিষদের ক্ষমতা বিজেপির হাতে গেল বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। 

৫২ আসন বিশিষ্ট এই জেলা পরিষদে বিজেপির জয়ী সদস্য সংখ্যা ছিল ৬। বাকি তৃণমূলের। বুধবার বিজেপির ৬ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূলের তরফে ছিলেন ১৫ জন। এই ১৫ জন সদস্যই বিজেপির প্রার্থীকে সমর্থন করেন। তৃণমূলের তরফে সভাধিপতি পদপ্রার্থী হিসেবে কেউ না থাকায় কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেল বিজেপি। সভাধিপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রণতি বিশ্বাস বলেন, “এই জয় আমার একার নয়। সকলের জয়।” জেলা পরিষদের সমস্ত সদস্য এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করার বার্তা দেন তিনি। অতীতে পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদে অনিয়মের যে অভিযোগ উঠেছে, তা দূর করে স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রশাসন পরিচালনাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য বলেও জানান। 

নির্বাচনে একাধিক সদস্যের ‘বিবেক ভোটে’র সমর্থন পাওয়ার বিষয়টিও উঠে আসে তাঁর কথায়। দুর্নীতি সংক্রান্ত কোনও তদন্ত বা পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব এবং স্থানীয় বিধায়ক-সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানান নবনির্বাচিত সভাধিপতি। নতুন জেলা পরিষদ বোর্ডের সামনে এখন মূল লক্ষ্য নদিয়ার গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের মৌলিক চাহিদাপূরণ। প্রশাসনিক কাজ দ্রুত স্বাভাবিক করে জনস্বার্থে বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান প্রণতি বিশ্বাস।

অন্যদিকে, জেলা পরিষদের এই রাজনৈতিক পালাবদল নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তাঁর দাবি, শাসকদলের দুর্নীতি ও ভুল নীতির কারণে সাধারণ মানুষ এবং জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে। বিজেপি শুরু থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং স্বচ্ছ প্রশাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। জগন্নাথ সরকারের বক্তব্য, “রাজনৈতিক রং না দেখে নদিয়ার সার্বিক উন্নয়নই এখন বিজেপির প্রধান লক্ষ্য। শ্রীচৈতন্যদেবের পবিত্র নদিয়ায় হিংসা ও বৈষম্যের কোনও স্থান নেই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াস’ মন্ত্রকে সামনে রেখে আগামী দিনে নদিয়াকে হিংসামুক্ত ও উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলবে বলেও জানান তিনি। 

You might also like!