
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি পুলিশ দফতরের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবেই বৃহস্পতিবার বারাকপুরে রাজ্য পুলিশের ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত ‘বড়া খানা’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন তিনি। অনুষ্ঠানে পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে তাঁদের সঙ্গে একই আসনে বসে খাবার খান তিনি। এর মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর পাশে থাকার বার্তাই দিতে চেয়েছেন বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল। পুলিশ কর্মীদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “দেশের সেরা পুলিশ বাহিনী গড়ে উঠুক এ রাজ্যে – এটা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রত্যাশা।”
প্রতিবছর রাজ্য পুলিশের তরফে ‘বড়া খানা’ অর্থাৎ সকলে মিলে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করা হয়। এবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম সেখানে যোগ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার বারাকপুরের স্বামী বিবেকানন্দ রাজ্য পুলিশ অ্যাকাডেমিতে তিনি পৌঁছন দুপুর ২টো নাগাদ। ‘গার্ড অফ অনার’ দেওয়া হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। এরপর পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বসে মধ্যাহ্নভোজ সারেন শুভেন্দু। মেনুতে ছিল হরেক রকমের খাবারদাবার। এরপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেন পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে পুলিশের ভূমিকায় খুশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যে আপনাদের কাজ করতে হচ্ছে জানি। দুর্নীতি দমন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা – সবেতেই আপনারা যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা ও আর্থিক ঋণ আছে, তবু দেশের সেরা পুলিশ বাহিনী গড়ে উঠুক এ রাজ্যেই, এটা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রত্যাশা। আপনারা পারবেন, সে বিশ্বাস আমার আছে।”
এদিন মূলত ২০২২ সালের উত্তীর্ণ ব্যাচের পুলিশদের বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল রাজ্য পুলিশ অ্যাকাডেমির বারাকপুরের দপ্তরে। একইসঙ্গে ছিল ‘বড়া খানা’র আয়োজনও। সেখানেই উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা ও পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। সেখানেই শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত হয়ে সবরকমভাবে পুলিশকর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস তো দিলেনই। সকলের সঙ্গে বসে মধ্যাহ্নভোজ সেরে বোঝালেন ‘আমি তোমাদেরই লোক’। তাঁর ভাষণেও সেই বার্তা শোনা গেল। বললেন, “জানবেন পুলিশমন্ত্রী পুলিশের পাশেই আছে।”
