Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

1 month ago

Mamata Banerjee: তৃণমূল কংগ্রেস সংক্রান্ত বিবাদে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিক নির্বাচন কমিশন, বিরোধী গোষ্ঠীকে আর সময় দেওয়া উচিত নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Former Chief Minister Mamata Banerjee
Former Chief Minister Mamata Banerjee

 

কলকাতা, ৩০ জুলাই : তৃণমূল কংগ্রেসের নাম, দলীয় প্রতীক ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিবাদের শুনানি দ্রুত শেষ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানান, বিরোধী গোষ্ঠীকে আর অতিরিক্ত সময় দেওয়া উচিত নয়, কারণ তাদের ইতিমধ্যেই একাধিক সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার নির্বাচন কমিশনের সচিব অশ্বিনী কুমার মহোলকে লেখা এক চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী কমিশনের নির্দেশ মেনে গত ৬ জুলাই নির্ধারিত নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই বিস্তারিত জবাব জমা দিয়েছে। সেই জবাবের প্রতিলিপি বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে ই-মেল এবং স্পিড পোস্টের মাধ্যমেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

চিঠিতে তিনি জানান, কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকেও ৬ জুলাইয়ের মধ্যে জবাব তলব করেছিল। পরবর্তীকালে ৭ জুলাই সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ১০ জুলাই করা হয় এবং পরবর্তীতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৫ জুলাই পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। তা সত্ত্বেও তিনি এখনও পর্যন্ত কোনও জবাব পেশ করেছেন কি না, সে বিষয়ে কোনও স্পষ্টতা নেই।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর চিঠিতে দাবি করেন, ২৫ জুলাইয়ের মধ্যেও যদি বিরোধী গোষ্ঠী জবাব পেশ না করে থাকে, তবে এটি ধরে নিতে হবে যে ৬ জুলাই জমা দেওয়া যুক্তির বিরুদ্ধে তাদের কাছে দেওয়ার মতো কোনও উত্তর নেই। ফলে ২২ জুনের মূল আবেদনের বাইরে গিয়ে বিরোধী গোষ্ঠী নতুন করে কোনও দাবি পেশ করতে পারে না।

বারংবার সময়সীমা বাড়ানোর ফলে বিরোধী গোষ্ঠী নিজেদের পক্ষে নতুন ও ভুয়ো তথ্যপ্রমাণ তৈরির সুযোগ পেয়ে যেতে পারে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিরপেক্ষতা ও সমান সুযোগের নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত, যাতে কোনও বিশেষ পক্ষ অহেতুক সুবিধা না পায়।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির ওপর এই মামলার গভীর প্রভাব রয়েছে উল্লেখ করে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ জানান, আর কোনও সময় নষ্ট না করে দ্রুত তদন্ত ও শুনানি শেষ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হোক। বিচারে অহেতুক বিলম্ব সাধারণ মানুষের আস্থা বিনষ্ট করতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

উল্লেখ্য, তৃণমূলে বিভাজনের পর উভয় গোষ্ঠীই কমিশনের কাছে দলের নাম, প্রতীক ও সংগঠনের ওপর নিজেদের দাবি পেশ করেছে। কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে কোন গোষ্ঠী প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে স্বীকৃতি পাবে এবং দলের প্রতীক, সাংগঠনিক কাঠামো ও আর্থিক সম্পত্তির ওপর কার অধিকার বজায় থাকবে।

বিধানসভা নির্বাচনে দল পরাজিত হওয়ার পর থেকেই এই ক্ষমতার লড়াইয়ের সূত্রপাত। ১৯৯৮ সালে দল প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠী তাঁকে সভাপতির পদ থেকে অপসারণ করে এবং প্রবীণ বিধায়ক অরূপ রায়কে নতুন সভাপতি নির্বাচন করে সমান্তরাল সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করে। একইসঙ্গে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার পদ নিয়েও উভয় গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনও দুই পক্ষের দাবি খতিয়ে দেখছে।

You might also like!