
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বলিউডে অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার প্রবণতা নতুন নয়। অতীতে বহু তারকা অভিনয়ের মঞ্চ থেকে সরাসরি রাজনৈতিক অঙ্গনে পা রেখেছেন। সম্প্রতি সেই তালিকায় অভিনেত্রী ভূমি পেদ্নেকারের নামও জড়াতে শুরু করেছে। এক অনুষ্ঠানে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী।
উল্লেখ্য, ভূমি পেদ্নেকারের রাজনৈতিক যোগসূত্র নতুন নয়। তাঁর বাবা সতীশ পেদ্নেকার মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র ও শ্রমমন্ত্রী ছিলেন। ফলে ছোটবেলা থেকেই রাজনীতি ও জনসেবার পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত অভিনেত্রী। সম্প্রতি মহারাষ্ট্রে নারী ক্ষমতায়নকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভবিষ্যতে রাজনীতিতে যোগদানের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে ভূমি জানান, আপাতত তাঁর সম্পূর্ণ মনোযোগ অভিনয়জীবনের দিকেই। তিনি মনে করেন, একজন শিল্পী হিসেবেও সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলা সম্ভব। তাই বর্তমানে তিনি নিজের কাজ ও বেছে নেওয়া গল্পের মাধ্যমেই মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

তবে রাজনীতিতে যোগদানের সম্ভাবনা একেবারে নস্যাৎ করেননি অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, দেশের সেবা করার ইচ্ছা বরাবরই তাঁর মধ্যে রয়েছে। ভবিষ্যতে যদি বৃহত্তর পরিসরে সমাজের জন্য কাজ করার সুযোগ আসে, তাহলে সে বিষয়ে তিনি অবশ্যই ভাববেন। ভূমির কথায়, “দেখুন, দেশের সেবা করার মানসিকতা আমার রক্তে মিশে আছে, সেটা যে রূপেই আসুক না কেন। বর্তমানে আমি আমার গল্প ও কাজের মাধ্যমে সেই চেষ্টাই করছি। ভবিষ্যতে যদি আরও বৃহৎ পরিসরে এবং অর্থবহ উপায়ে কাজ করার সুযোগ পাই তাহলে কেন করব না?” ভূমির সংযোজন, “আমার আদর্শ খুবই সহজ। আমি যতটা সম্ভব দেশের সেবা করতে চাই। পর্দার বাইরে আমি যে কাজগুলো করি সেগুলোর পিছনেও সেই একই বিশ্বাস কাজ করে। আমি আসলে মানুষটাই এরকম। যেভাবেই সুযোগ আসুক না কেন আমার উদ্দেশ্য একই থাকবে।”
অভিনয়ের ক্ষেত্রে সম্প্রতি তাঁকে দেখা গিয়েছে ক্রাইম-থ্রিলার সিরিজ ‘দলদল’-এ। ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই একটি নতুন ছবিতে আইনজীবীর চরিত্রে দেখা যেতে পারে তাঁকে। ফলে রাজনৈতিক জল্পনার পাশাপাশি নতুন প্রজেক্ট নিয়েও এখন চর্চায় রয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ভূমি পেদ্নেকার।
