
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বিধানসভা ভোটে ধাক্কার পর এবার পুরভোটকে সামনে রেখে সংগঠন গোছাতে শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও রাজ্যের অধিকাংশ পুরসভা এখনও তাদের দখলে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একের পর এক পুরপ্রতিনিধির ইস্তফা ও বোর্ড ভাঙার ঘটনায় চাপ বাড়ছে দলের উপর। এই পরিস্থিতিতে গত সপ্তাহে কলকাতা পুরসভার প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন Mamata Banerjee। সেখানে তিনি সংগঠনকে মাটি আঁকড়ে ধরে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেন।এবার তিনি বৈঠকে ডাকলে শহরতলির চার পুরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, চেয়ারম্যানদের। সোমবার বিকেলে কালীঘাটের বাড়িতে হবে বৈঠক।
উত্তর শহরতলির ৪টি পুরসভা – দমদম, উত্তর দমদম, দক্ষিণ দমদম, বরানগর এবং বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র, চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলরদের বৈঠকে ডাকলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার এই পুরসভাগুলির প্রত্যেক দলীয় পদাধিকারীকে নিজে মমতার বাড়িতে দলীয় এই বৈঠকের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সদ্য দমদম লোকসভা সাংগঠনিক জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। বিধায়ক, সাংসদদের পর তৃণমূলের দখলে থাকা জেলা পরিষদের পদাধিকারী ও সদস্যদের নিয়ে ইতিমধ্যে বৈঠক করেছেন মমতা। হয়ে গিয়েছে কলকাতা পুরনিগমের বৈঠকও। এবার জেলাস্তরে প্রত্যেকটি পুরসভার সঙ্গে একে একে বসতে চলেছেন তৃণমূলনেত্রী।
এর আগে প্রত্যেকটি বৈঠক থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে জেলা পরিষদ ও কলকাতা পুর নিগমের দলীয় কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকেও মমতা ভয়মুক্ত হয়ে মানুষের পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার কথা বারবার বলেছেন। তাঁর নির্দেশ, দলের দখলে থাকা পুরসভাগুলিতে কোথাও পরিষেবার ক্ষেত্রে যেন কোনও ফাঁক না থাকে। সেইসঙ্গে লাগাতার জনসংযোগ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন নেত্রী। পুর আইনের কথা মনে করিয়ে মমতার জানিয়েছেন, নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দেওয়া যায় না। একমাত্র গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই তা ছিনিয়ে যায়। জেলা পরিষদের পাশাপাশি জন পরিষেবা ও দলীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কটি পুরসভা। তাদের প্রতিনিধিদের নিয়ে এই বৈঠক ফলত বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এর মধ্যে রবিবার দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূল যুব সংগঠনের নতুন সভাপতি করা হল শ্রীদীপ দাসকে। এতদিন এই পদে ছিলেন সার্থক বন্দ্যোপাধ্যায়। বেহালার বাসিন্দা শ্রীদীপ এতদিন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
