Breaking News
 
Kolkata High Court to CPIM: পুজোয় বুকস্টল বসানো নিয়ে বামেদের মামলা, দুর্গাপুজোর আগে শুনানিতে নারাজ হাই কোর্ট Anti-CEC row: জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলের পিটিশন, ‘রাষ্ট্রপতি প্রমাণ চাইতেই পালিয়েছেন’, তোপ বিজেপির CM Suvendu Adhikari: রাজস্ব আদায়ে নতুন নজিরের দাবি শুভেন্দুর, উপনির্বাচনে জয়ের পর হুমায়ুনকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর Houthi Strike Saudi Arabia | আগুনে জ্বলছে রিয়াধ বিমানবন্দর, হাউথি হামলায় মৃত ১৩, বিপদের মুখে দাম্মামও India protest: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সুপ্রিম অভিযান, রাহুল-মমতার কর্মসূচিকে নিশানা বিজেপির West Bengal Police: ‘পুলিশের সংখ্যায় উত্তরপ্রদেশকেও ছাপাবে বাংলা’, ১১ হাজার নিয়োগপত্র তুলে দিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর

 

West Bengal

4 months ago

TMC fraction :বিদ্রোহীদের সঙ্গে কুণাল-ববি-নয়না! শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে রাজনৈতিক টানাপোড়েন স্পষ্ট

Kunal, Bobby, and Nayana
Kunal, Bobby, and Nayana

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: একদিন আগে দলের এক পক্ষ ছিলেন Mamata Banerjee-র ধর্নায়, আর অন্য পক্ষ শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’-এর ছক কষছিল বলে দাবি। কিন্তু বুধবার তৃণমূলের সেই দুই শিবিরই এক জায়গায় দেখা গেল Suvendu Adhikari-র ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে। ‘বিদ্রোহী’ ও ‘মমতাপন্থী’—দুই পক্ষের উপস্থিতি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।

বুধবার কলকাতা, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রশাসনিক বৈঠক চলছে নবান্নের সভাঘরে। আগের জমানার রীতির উলটো পথে হেঁটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী শিবিরের বিধায়কদেরও আমন্ত্রণ জানান ওই বৈঠকে। ঋতব্রতের নেতৃত্ব যে বিক্ষুব্ধ শিবির এই মুহূর্তে নতুন তৃণমূল ব্লক বলে দাবি করছে, সেই বিক্ষুব্ধ শিবির যে আজকের বৈঠকে যাবে সেটা আগে থেকেই জানা ছিল। ঋতব্রত মঙ্গলবারই জানিয়ে দেন, ওই জেলাগুলির তৃণমূল বিধায়করা প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেবেন। সেই মতো আজ বিধানসভায় ‘বিদ্রোহ’ পর্ব সেরে নিয়ে নবান্নে যান বিক্ষুব্ধ শিবিরের ৫৮ জন বিধায়কই।

এতদূর পর্যন্ত সবটা প্রত্যাশিত ছিল। আসল টুইস্ট শুরু এরপর। দেখা যায়, আগের দিন যে বিধায়করা মমতার ধরনায় উপস্থিত ছিলেন, বা এখনও পর্যন্ত যে সব বিধায়ক সরাসরি বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেননি, সেই বিধায়করাও একে একে নবান্নে আসা শুরু করেন। প্রথমে দেখা যায় কুণাল ঘোষকে, তারপর একে একে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমরাও গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে। অর্থাৎ মহাভাঙন পর্বেও যারা মমতার সঙ্গে ছিলেন, অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত তাঁরাও বিদ্রোহীদের মতোই মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে হাজির। যদি ধরে নেওয়া যায়, তৃণমূল দুই শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে, তাহলে দুই শিবিরই আজ প্রশাসনিক বৈঠকে।

ঋতব্রতপন্থীরা বৈঠকে যাবেন প্রত্যাশিত ছিল, কিন্তু কুণালরা কেন গেলেন? নেত্রীর নির্দেশে নাকি নিজস্ব বিবেকের যুক্তিতে? সেটা অবশ্য স্পষ্ট নয়। নবান্নে ঢোকার সময় কুণাল সংক্ষেপে বললেন, “আমি একজন নির্বাচিত বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক ডেকেছেন। তাই বিরোধী দলের একজন বিধায়ক হিসাবে এসেছি।” কারণ যাই হোক, গত ১৫ বছরে রাজ্যে যা দেখা যায়নি পালাবদলের একমাসের মধ্যে সেটা দেখা তো গেল। রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী শিবিরের বিধায়করাও সমবেত হয়ে হাজির হলেন। সেটাই বা কম কী!

You might also like!