
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দিল রাজ্য। দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে মউ সাক্ষর হলো। বিজ্ঞান ভবনের উপস্থিত রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীরা। মউ স্বাক্ষরে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত দিল্লির সিআর পার্ক, করোলবাগ-সহ বিভিন্ন পুজো উদ্যোক্তারা। সেখানেই বক্তব্য রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।তিনি জানালেন, আজ থেকেই বাংলার মানুষ পাবেন আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা। বিনাব্যয়ে মিলবে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা। ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবারের সাড়ে ৬ কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায়। এই খাতে বরাদ্দ ৯৭৬ কোটি টাকা।
২০১৮ সালে দেশবাসীর সুবিধার কথা মাথায় রেখে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের সূচনা করে মোদি সরকার। কিন্তু বাংলার মানুষ গত ৬ বছরে এই প্রকল্পের সুবিধা পাননি। কারণ হিসেবে বারবার উঠে এসেছিল পূর্বতন সরকারের বিরোধিতা। পরিবর্তে বাংলার জন্য তৎকালীন সরকার চালু করেছিল স্বাস্থ্যসাথী। ছাব্বিশের নির্বাচনী ইস্তেহারে বিজেপি জানিয়েছিল, ক্ষমতায় এলেই ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে বাংলাকে। কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার কেন্দ্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয় মউ। তারপরই সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যবাসীকে সুখবর শোনালেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, “সোমবার থেকেই বাংলায় মিলবে ‘আয়ুষ্মান ভারতে’র সুবিধা। ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নিখরচায় চিকিৎসা পাবেন এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবারের সাড়ে ৬ কোটি সদস্য। প্রথম দিন থেকেই মিলবে পুরনো রোগের কভারেজ। রাজ্য ও দেশের ৩৬ হাজার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল এর আওতায়।” মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিযায়ীরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। এদিন শুভেন্দু জানান, ঠিক কী কারণে বারবার তৃণমূল এর বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেন, “শুরুতে এই প্রকল্পের নামে মন্দির ছিল। সেই কারণে তৃণমূল বারবার বিরোধিতা করে রাজ্যের মানুষকে বঞ্চিত করেছে।” পালাবদলের এক মাস পেরতে বা পেরতেই জটিলতা কাটিয়ে বাংলায় পথচলা শুরু এই স্বাস্থ্য প্রকল্পের।
