Country

1 hour ago

TMC MPs met in undisclosed place in Delhi : তৃণমূলে কি বড়সড় ভাঙন আসন্ন? গোপন বৈঠকে বিদ্রোহী সাংসদরা, বাড়ছে জল্পনা

TMC MPs met in undisclosed place in Delhi
TMC MPs met in undisclosed place in Delhi

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লিতে তৃণমূলের একাধিক সাংসদের একটি বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সূত্রের দাবি, রবিবার রাতে গোপন স্থানে প্রায় ২০ জন সাংসদ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকের একটি ছবি প্রকাশ্যে এলেও সেখানে মাত্র কয়েকজন সাংসদকে দেখা গিয়েছে। একই সময়ে দিল্লিতে উপস্থিত ছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠককে ঘিরে দলের অন্দরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।

দিল্লিতে গোপন স্থানে ওই গোপন বৈঠকে ঠিক কী নিয়ে আলোচনা করছিলেন তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদেরা। একটি সূত্র বলছে, দু’টি সম্ভাবনা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এক, স্পিকার ওম বিড়লাকে একটি চিঠি দিয়ে জানাবেন যে, তাঁদের নেতা আর অভিষেক নন। তাঁদের এ বার থেকে সংসদে ‘ভিন্ন গোষ্ঠী’ বলে চিহ্নিত করা হোক। দুই, গণইস্তফা দেওয়া যায় কি না, তা নিয়েও উপস্থিত সাংসদেরা আলোচনা করেছেন বলে দাবি একটি সূত্রের। দু’টির একটি সম্ভাবনাও বাস্তবায়িত হলে দিল্লিতে বসে বড়সড় ধাক্কা খেতে পারেন মমতা। ‘ইন্ডিয়া’ জোটে আরও কোণঠাসা হতে পারেন।বৈঠকের যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে, সেখানে ছিলেন বর্ধমান পূর্বের সাংসদ শর্মিলা সরকার, হাওড়ার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, কোচবিহারের জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়া, বাঁকুড়ার অরূপ চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রামের সাংসদ কালীপদ সোরেন, বোলপুরের অসিত মাল। একটি সূত্র বলছে, বৈঠকে ছিলেন মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার। ছবিতে দেখা গিয়েছে রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়কেই। সোমবার সকালেই দিল্লি থেকে সুখেন্দু জানান, তিনি তৃণমূল এবং রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। সুখেন্দুশেখরের দাবি, দলের অন্দরে দুর্নীতি এবং দল নিয়ে মানুষের ক্ষোভ মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তাই পতন ছিল অনিবার্য। সুখেন্দুর এই ইস্তফার পরে বৈঠক নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে।

একটি সূত্র বলছে, বৈঠকে উপস্থিত এক মহিলা সাংসদ সেখানকার ছবি তুলে নেন। দক্ষিণবঙ্গের এক সাংসদ সেই ছবি তোলা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। বৈঠকে উপস্থিত সাংসদদের সূত্রে জানা গিয়েছে, যিনি ছবি তোলেন, তিনি দাবি করেন, সেটি ‘শাহজির’ কাছে পাঠাতে হবে। তাতে দক্ষিণবঙ্গের ওই সাংসদ জানান, ছবি যে তোলা হচ্ছে, তা আগে জানানো উচিত ছিল। এই নিয়ে বৈঠকে বাক্‌বিতণ্ডা চলে বলে খবর। সূত্রের খবর, সোমবারও কেন্দ্রীয় সরকারের একটি দফতরে কয়েক জন ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল সাংসদ এক সঙ্গে রয়েছেন। তাঁরা কথাবার্তা বলছেন বলে খবর।বৈঠক প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তৃণমূলের আর এক সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘‘বিজেপির পক্ষ থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, বলেছিলাম পরে জানাব। পরে না করে দিয়েছি। বলেছি, আমি তৃণমূলের সঙ্গেই রয়েছি।’’

You might also like!