Breaking News
 
Prashant Kishor: ভোট জয়ের কৌশল থেকে নির্বাচনী ময়দান, প্রশান্ত কিশোরের শতকোটির সম্পত্তি ঘিরে চর্চা Nitin Gadkari: ই-২০ পেট্রল নিয়ে সরব গাড়ি মালিকরা, মাইলেজ বিতর্কে এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী Shivraj Chouhan Meet Suvendu Adhikari: এল নিনো মোকাবিলায় বড় সিদ্ধান্ত, জি রাম জি প্রকল্পে অতিরিক্ত ৫০ দিনের কাজের বার্তা কেন্দ্রের ISCON : কলকাতার রথযাত্রায় নতুন চমক, ইসকনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ,উৎসবে আমন্ত্রণ শাহকে Ayushman Bharat : আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের আগে জেনে নিন নিয়ম, কোন পেশার ক্ষেত্রে মিলবে না সুবিধা Sudip, Kakoli, and others meet Shah and Birla.: বাদল অধিবেশনের আগে দিল্লিতে তৎপরতা, শাহ-বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাতে সুদীপ-কাকলিরা

 

West Bengal

1 month ago

Mamata Banerjee : ‘আদালতেই প্রমাণ হবে’—ঋতব্রত ইস্যুতে আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত কল্যাণের

mamata banerjee and kalyan banerjee
mamata banerjee and kalyan banerjee

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের  বিরোধী দলনেতা পদে নিয়োগকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। সূত্রের দাবি, মমতা ঘনিষ্ঠ শিবির স্পিকারের সিদ্ধান্তকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে বিধানসভার সরকারি বিবৃতি প্রকাশের পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

আসলে গত বুধবার ঋতব্রতরা ‘নতুন তৃণমূল’ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করার পর তাঁদের জন্য বিরোধী দলনেতার ঘর খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন স্পিকার। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতার পদে তিনি নিয়োগ করেছেন বলেও খবর। সে নিয়ে সরকারিভাবে বিধানসভা এখনও কোনও বিবৃতি যদিও দেয়নি। তৃণমূলের দাবি, পুরোটাই বেআইনি। দল থেকে বহিষ্কৃত কোনও নেতা বিরোধী দলনেতা হতে পারে না।

তাঁর বক্তব্য, “কাউকে দল থেকে বহিষ্কার করতে হলে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। আগে কারণ দর্শানোর নোটিস দিতে হয়, জবাব দেওয়ার সুযোগ দিতে হয়। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না করে হঠাৎ বহিষ্কারের হাঁটা যায় না।দলীয় সংবিধান ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় ওই বহিষ্কার বৈধ বলে গণ্য করা যায় না।” তিনি আরও বলেন, যে গোষ্ঠীর পাশে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে, তাদের অবস্থানকে অগ্রাহ্য করা যায় না। তাঁর দাবি, ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থনপুষ্ট শিবিরই নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করছে এবং সেই বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।”

স্পিকারের বক্তব্য, “আইনে যা বলা রয়েছে, ঠিক সেই পথেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। না বেশি, না কম। প্রথম আবেদনে ত্রুটি ছিল বলেই তা গ্রহণ করা হয়নি।” কিন্তু সেই যুক্তি মানতে নারাজ মমতার ঘনিষ্ঠ তথা তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, “যা হয়েছে সবটাই বেআইনি। আদালতে প্রমাণ হবে।” শোনা যাচ্ছে, কল্যাণ ওই ‘দলচুরি’র বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে সবটাই করা হবে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষার পর। পরিস্থিতি কোনদিকে গড়ায় সেদিকে নজর রাখছে কালীঘাট। তাছাড়া সবটাই হবে দলনেত্রীর সম্মতির পরই।

You might also like!