
কলকাতা, ৭ জুন : ১১ জুন থেকে শুরু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে বিশ্বকাপ। বিবিসি স্পোর্টস এই বিশ্বকাপে আফ্রিকার ৬ জন খেলোয়াড়কে নজর রেখেছে যারা এই বিশ্বকাপে তারকা হয়ে উঠতে পারেন। এই খেলোয়াড়রা নিজ নিজ দেশের আশা ও সম্ভাবনার বড় প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। তারা কারা? চলুন তাদের সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
ইয়ান ডিওমান্ডে: আইভরি কোস্টের তরুণ তারকা ইয়ান ডিওমান্ডে।
বর্তমানে তিনি ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে দ্রুতই আলোচনায় উঠে এসেছেন। জার্মান বুন্দেসলিগার ক্লাব লাইপজিগে তিনি অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে দারুণ মরসুম কাটিয়ে তিনি দলের সাফল্যে বড় ভূমিকা রাখেন এবং তরুণ প্রতিভা হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করেন।
ওমর মারমুশ :
মিশরের আক্রমণভাগের অন্যতম প্রতিভাবান ফুটবলার ওমর মারমুশ। তিনি তাঁর গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার দক্ষতার জন্য দারুণ ভাবে নজর কাড়েছেন। তিনি বর্তমানে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে উচ্চ পর্যায়ে খেলছেন এবং মিশরের আক্রমণভাগে মোহামেদ সালাহর সঙ্গে মিলিয়ে বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। তাকে ভবিষ্যতের আফ্রিকান ফুটবলের অন্যতম সম্ভাবনাময় তারকা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আন্তোয়ান সেমেনিয়ো:
ঘানার জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড আন্তোয়ান সেমেনিয়ো। লন্ডনে জন্মগ্রহণ করা এই ফুটবলার ঘানার হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে খেলছেন। তিনি ক্লাব ফুটবলে নিজের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন। বড় ম্যাচে সিদ্ধান্তমূলক অবদান রাখার ক্ষমতার কারণে তাকে ঘানার আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হয়ে উঠেছেন।
ব্রাহিম দিয়াজ:
মরক্কোর তারকা ব্রাহিম দিয়াজ বর্তমানে ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ের একজন পরিচিত আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার। আফ্রিকা নেশনস কাপে তিনি ৫ গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন এবং মরক্কোকে ফাইনালে পৌঁছাতে বড় ভূমিকা রাখেন। ইউরোপের বিভিন্ন বড় লিগে শিরোপা জেতার অভিজ্ঞতাও তাকে আরও পরিণত খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রনওয়েন উইলিয়ামস:
দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ও অধিনায়ক রনওয়েন উইলিয়ামস। তিনি দলের সবচেয়ে বড় ভরসা। ২০১০ সালের পর আবার বিশ্বকাপে ফেরা দক্ষিণ আফ্রিকার লক্ষ্য এবার নকআউট পর্বে যাওয়া। পেনাল্টি শুটআউটে তার অসাধারণ সেভ করার দক্ষতা তাকে আফ্রিকান ফুটবলে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।
ইসমাইলা সার:
সেনেগালের দ্রুতগতির উইঙ্গার ইসমাইলা সার তার গতি ও আক্রমণভাগে ধারালো খেলায় পরিচিত। ক্লাব ও জাতীয় দল দুই জায়গাতেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০২১ সালের আফ্রিকান নেশনস কাপ জয়ে তিনি সেনেগালের অন্যতম খেলোয়াড় ছিলেন এবং পরবর্তী সময়েও বড় টুর্নামেন্টে দলের সাফল্যে অবদান রেখেছেন।
