
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: অষ্টমীর সন্ধ্যায় একেবারে সাদামাটা সাজে মন ভরে না। দুর্গাপুজোর এই বিশেষ দিনে ভারী শাড়ি, নজরকাড়া গয়না আর বাঙালিয়ানার ছোঁয়ায় জমকালো সাজেই বেশি মানায়। মিনিমালিস্টিক পোশাক বা হালকা গয়নার বদলে ভরাট সাজ, উজ্জ্বল রং ও ট্র্যাডিশনাল লুকেই যেন ফুটে ওঠে উৎসবের আমেজ। সম্প্রতি অ্যান্টিলিয়ায় গণেশ চতুর্থী উদযাপনে হাজির হয়েছিলেন বলিউডের একাধিক তারকা। তাঁদের নজরকাড়া সাজ থেকেই আসন্ন দুর্গাপুজোর অষ্টমীর লুকের জন্য অনুপ্রেরণা নিতে পারেন আপনিও।
∆ ম্যাক্সিমাল চোকারে জমকালো অষ্টমীর সাজ: উঁচু গলার ব্লাউজের সঙ্গে সাধারণত হার এড়িয়ে চলা হয়। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙেই সাজকে আরও নজরকাড়া করতে গলাবন্ধ ব্লাউজের সঙ্গে বেছে নিন ভরাট চোকার। ব্লাউজের ছিমছাম নেকলাইনের ওপর এই চোকার এমনভাবে বসবে, যেন তা পোশাকের অংশ। তবে এর সঙ্গে লম্বা হার না পরাই ভালো।
∆ বড় ঝুমকোই হোক সাজের মূল আকর্ষণ: গলা থেকে হাত পর্যন্ত একগুচ্ছ গয়না পরার প্রয়োজন নেই। বরং অষ্টমীর সাজে একটি গয়নাকেই প্রাধান্য দিতে পারেন। অফ-শোল্ডার, কর্সেট বা স্ট্রাকচার্ড ব্লাউজের সঙ্গে বড় ঝুমকো বা চাঁদবালি দারুণ মানাবে। শাড়ি যদি হলুদ, সাদা, প্যাস্টেল বা হালকা রঙের হয়, তাহলে এক্কেবারে বেমানান টারকোয়িজ, সবুজ বা অন্য কোনও রঙিন পাথরের ঝুমকো বেছে নিন। কানে বড় গয়না থাকলে গলায় খালি রাখাই ভালো।

∆ টিকলিতে ফিরুক বাঙালি সাজের পুরনো আমেজ: হার-দুল পর্যন্ত তবু ঠিক আছে, কিন্তু টিকলি? বড্ড বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে না কি? আদ্যন্ত সাজপ্রেমী মানুষকেও ভাবায় এ কথা। তবে বিশাল বড় নয়, একরত্তি টিকলি সিঁথি জুড়ে সাজিয়ে দিলে, তা সাজের মান বাড়িয়ে তোলে কয়েক গুণ। অষ্টমীর শাড়ির সঙ্গে ছোট্ট টিকলি বেছে নিলে সাজে আসবে সূক্ষ্ম ঐতিহ্যবাহী ছোঁয়া। অবশ্য এই সাজ আরও জমকালো করে তুলতে চাইলে বড় ঝুমকো, গলার হার, অথবা একগোছা রঙিন চুরি পরাই যায়। মানানসই পোশাক ও গয়নায় সেজে উঠতে পারলে অষ্টমী সন্ধ্যার সমস্ত লাইমলাইট অনিবার্যভাবেই থাকবে আপনার দিকে।
মনমতো সাজের ক্ষেত্রে ‘বাড়াবাড়ি’ বলে কিছু হয় না। যে সাজ আপনাকে শান্তি দেয়, তাই হোক আপনার পুজোর লুক। তবে সাজের সাধারণ কিছু বিষয় মাথায় রাখলে তা আরও খোলতাই হয়। যেমন পোশাকে প্রচুর কাজ থাকলে গয়না সাধারণ হলে ভালো। আর গয়না যদি তাকলাগানো হয়, তবে পোশাক যত ছিমছাম হয়, ততই সুন্দর লাগে।
