
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বর্ষাকাল মানেই একটানা বৃষ্টি, রাস্তাঘাটে জল-কাদা আর ভেজাভাব। প্রতিদিন বাইরে বেরনোর ফলে ত্বকের পাশাপাশি নখের উপরেও পড়ে এর প্রভাব। অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও জল-কাদার সংস্পর্শে নখ হয়ে উঠতে পারে দুর্বল ও অস্বাস্থ্যকর। তার উপর আবার সামনেই পুজো। পুজোর সাজে পোশাক, মেকআপের পাশাপাশি সুন্দর নখও গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই সময়ে নখে কোনও সমস্যা দেখা দিলে পুরো সাজটাই মাটি হতে পারে। এই কারণে বর্ষায় ত্বকের যত্নের পাশাপাশি নখের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি। নিয়মিত যত্ন না নিলে নখ ভেঙে যাওয়া, বিবর্ণ হয়ে যাওয়া কিংবা বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুজোর আগে তাই নখের যত্নে একটু বাড়তি সচেতন হওয়াই ভালো।
প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক, বর্ষাকালে নখে সাধারণত কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে।
* বারবার নখ ভিজে যাওয়ার ফলে তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারাতে পারে। তাই নখ ভিজে যাওয়ার পর ভালো করে ধুয়ে নিন।
* এই সময় নখের চারপাশে সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে চেষ্টা করুন পা সবসময় ভালো করে শুকিয়ে নিতে।
* বর্ষার কাদা জল পায়ে লাগার ফলে নখের বৃদ্ধি কমে যেতে পারে।
* এছাড়া নখের রং বদলে যাওয়ার সমস্যা খুবই স্বাভাবিক। কারও কারও হলুদ আবার কারও নখ কালো হয়ে যায়। তাই এই সময়ে নখ শুকিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন। ভিজে জুতোও বেশিক্ষণ পরবেন না।
* নখ ভিজে থাকার ফলে দুর্বল হয়ে যায়। তাই বারবার ভেঙে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। এই সময়ে প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক, বায়োটিন যুক্ত খাবারদাবার খান। তাতে নখ আরও শক্তিশালী হবে।
এই সমস্যাগুলি দেখলেই পায়ের নখের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ঘরোয়া পদ্ধতিতে কীভাবে যত্ন নেওয়া সম্ভব?
* বাইরে থেকে ফিরে পা ভালো করে ধুয়ে নিন। নরম তোয়ালেতে পা মুছে নিন। এবার হালকা হাতে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন।
* সপ্তাহে একবার পা ভালো করে পরিষ্কার করুন। একটি গামলিতে ঈষদুষ্ণ জল নিন। তাতে একটুকরো লেবু দিন। লেবু না থাকলে ভিনিগারও দিতে পারেন। শ্যাম্পু দিন। এবার পা ৩০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। ব্রাশ দিয়ে হালকা হাতে ঘষে নিন। তাতেই সুন্দর হবে পা।
মাসে একবার পার্লারে গিয়ে পেডিকিওর করিয়ে নিতে পারেন। তাতে পুজোর আগে পা আরও সুন্দর হবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
