
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: অষ্টমীর জন্য পছন্দের শাড়ি হয়তো আগেই তুলে রাখা হয়েছে। কিন্তু পুজোর পঞ্চমী-ষষ্ঠীর হালকা অথচ নজরকাড়া সাজে কী পরবেন? এই দুই দিনে স্বচ্ছন্দ ও স্টাইলিশ লুকের জন্য কুর্তির সঙ্গে জমকালো ওড়না হতে পারে দারুণ পছন্দ। তবে কোন কুর্তির সঙ্গে কেমন ওড়না মানাবে, সেটাই ঠিক করে দেবে আপনার সাজের আসল সৌন্দর্য। তাই পুজোর আগেই জেনে নিন কুর্তি-ওড়না মেলানোর সহজ কিছু স্টাইল সমীকরণ।
* বেনারসি ওড়না— বেনারসি শাড়ির মতোই নকশা-কারুকাজে ঠাঁসা হয় বেনারসি ওড়না। সাধারণত চোখ ধাঁধানো লাল, নীল, কালো, গোলাপি জমির উপর উজ্জ্বল সোনালি বা রুপালি জড়ির কাজ থাকে। পাড়ের দিকে দেখা যায় রঙিন বড় বড় মোটিফ। এমন ওড়না নিতে চাইলে সঙ্গে কুর্তিটিকে হতে হয় একরঙা। ওড়নার রঙ ডিপ হলে, কুর্তির রঙ হতে হয় হালকা সাদা, গোলাপি, অফ-হোয়াইট, ঘিয়ে বা ক্রিম। কুর্তি কালো বা নীল হলে, ঘিয়ে বা সোনালি রঙের ওড়না নেওয়া যায়।
* চান্দেরি সিল্ক ওড়না— এই কাপড়ের বুনন ঘন নয়, বরং আংশিক সি-থ্রু বলা যায়। ফলে ওড়না জায়গায় ধরে রাখার জন্য পিন করে নিতে হয় কুর্তির সঙ্গে। এক্ষেত্রে সেফটিপিন বদলে সফট ক্লোদ পিন ব্যবহার করুন, যাতে টান লাগলে ওড়না বা কুর্তির ফেব্রিক ছিঁড়ে না যেতে পারে। সাধারণত হালকা রঙেরই হয় এমন ওড়না, তাই কুর্তির রঙ ঘন হলে তা বেশি মানানসই লাগে।
* বাঁধনি ওড়না— এই রাজস্থানি কাপড় টাই-ডাই পদ্ধতিতে রাঙানো হয়। এই কাপড়ে থাকে একাধিক রঙের সমাহার। এমন ওড়নার রঙ উজ্জ্বল, তাই হালকা রঙের কুর্তি পরাই যায়। তবে ভুললে চলে না যে রাজস্থানি পোশাক মাত্রেই ম্যাক্সিমালিস্ট। অর্থাৎ একসঙ্গে অনেক রঙ, অনেক নকশার সমাহার। তাই তেমন লুক পুরোপুরি আনতে চাইলে হালকা রঙের বদলে, ওড়নার অনেক রঙের মধ্যে থেকে কোনও একটি রঙেরই কুর্তি পরা যায়।
* জরি বা এমব্রয়ডারি করা ওড়না— একেবারে সাধারণ কুর্তিকে উৎসবের সাজে পরিণত করতে চাইলে জরি, সিকুইন বা এমব্রয়ডারি করা ওড়না বেছে নিতে পারেন। ভারী কাজের ওড়নার সঙ্গে কুর্তি হবে একদম সাদামাটা। এতে ওড়নাটিই হয়ে উঠবে সাজের মূল আকর্ষণ।
কেবল পোশাকেই থামলে চলবে না। যে কোনও লুকের শেষ কথাই হল, তার সঙ্গে কী কী অ্যাক্সেসারিজ নেওয়া হচ্ছে। ফলে পোশাকের সঙ্গে মানানসই স্টেটমেন্ট কানের দুল, জুতো ও সাইডব্যাগ বা ক্লাচ নিতে পারলে তবেই সম্পূর্ণ হবে সাজ।
