Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

1 month ago

Taslima Nasrin: দু'দশক পর কলকাতায় তসলিমা! সাদা-লালপাড় শাড়িতে আবেগঘন প্রত্যাবর্তন

Taslima Nasreen Kolkata return
Taslima Nasreen Kolkata return

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:   প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। শুক্রবার অবশেষে কলকাতায় ফিরলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। দুপুর প্রায় ১২টা ৫০ মিনিটে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান উপস্থিত অনুরাগীরা। দীর্ঘদিন পর তিলোত্তমার মাটিতে পা রেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তসলিমা। মুখে ছিল হাসি, চোখেমুখে ধরা পড়ে ফিরে আসার আনন্দ। সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “খুবই ভালো লাগছে।”

কলকাতায় পা রাখার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে শুক্রবার সকালে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তসলিমা। লিখেছিলেন, ‘আজি এ প্রভাতে কলিকাতা অভিমুখে যাত্রা করিলাম।’ এই সোশাল মিডিয়া পোস্টের মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছন তসলিমা। বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা পর্বে আবেগে ভাসলেন। তাঁর হাসিমুখ দেখেই স্পষ্ট প্রায় দু’দশক পর কলকাতায় ফিরে কতটা খুশি বিশিষ্ট সাহিত্যিক। শনিবার রবীন্দ্রসদনে মৌলবাদ বিরোধী কবি-সাহিত্যিকদের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। আয়োজক সেক্যুলার মিশন, এইচআরবিএফএফ। সেই মঞ্চে থাকতে পারেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।  

গত ২০০৭ সালে তসলিমার ‘দ্বিখণ্ডিত’ উপন্যাসের প্রকাশ ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে কলকাতা। কট্টরপন্থার বিরুদ্ধে তাঁর আগুনঝরা কলমের ‘খোঁচা’য় সংখ্যালঘু এলাকাগুলিতে অশান্তি ছড়ায়। এতটাই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি যে তা সামলাতে সেনা নামাতে হয়েছিল। সে সময় রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তিনি তাঁর নিজস্ব বৃত্তের অর্থাৎ বামমনস্ক সাহিত্যিকদের সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে তসলিমার বইটিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। কলকাতা ছাড়তে বলা হয় তাঁকে। যে বামপন্থীরা ধর্মনিরপেক্ষ বলে গর্ববোধ করে, সেই সরকারের আমলে এমন এক নিদর্শন নিঃসন্দেহে বাংলার সাহিত্য জগতে অন্ধকারময় অধ্যায়। মাঝে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৫ বছর মসনদে থাকলেও তসলিমাকে ফেরানো নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেননি। তবে এবার রাজ্যে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের আমলে এক আলোকময় অধ্যায়ের সূচনা হল, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।  

You might also like!