kolkata

1 hour ago

Suvendu Adhikari at Taratala: তারাতলায় দুর্ঘটনার পর সরেজমিনে শুভেন্দু,উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানলেন পরিস্থিতি

CM Suvendu Adhikari at Taratala
CM Suvendu Adhikari at Taratala

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  উদ্ধার অভিযান চলার মাঝেই তারাতলার দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিকেল প্রায় পৌনে পাঁচটা নাগাদ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন তিনি। প্রথমেই সেখানে উপস্থিত মন্ত্রী, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে গোটা ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। এরপর উদ্ধারকাজে যুক্ত কর্মী ও বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। উদ্ধারকার্য কতদূর এগিয়েছে, এখনও কোনও ব্যক্তি আটকে রয়েছেন কি না এবং কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে, সে বিষয়েও খোঁজ নেন তিনি। পাশাপাশি নির্মাণকাজের দায়িত্বে কোন সংস্থা ছিল, কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং প্রাথমিকভাবে কী তথ্য সামনে এসেছে, সেই বিষয়েও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেন মুখ্যমন্ত্রী। দুর্ঘটনার কারণ এবং সম্ভাব্য গাফিলতি খতিয়ে দেখতে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশও দেন বলে সূত্রের খবর। 

বন্দরের জমিতে তৈরি হচ্ছিল ওই চায়ের গুদামটি। বুধবার চলছিল তিনতলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ। সেই সময় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ গুদামের ছাদ। নিচে চাপা পড়ে যান শ্রমিকরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও সেনা। আনা হয় অত্যাধুনিক পদ্ধতির গ্য়াসকাটার, ক্রেন। পৌঁছয় অ্য়াম্বুল্যান্স। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিধায়ক রাকেশ সিং, মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ ও অগ্নিমিত্রা পাল, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। নবান্ন থেকে মনিটরিং করছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমেই অগ্নিমিত্রা পাল, ইন্দ্রনীল খাঁ ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পরিস্থিতির খোঁজ নেন। এরপর নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তিনি। সংবাদ মাধ্যমের সামনে বিস্তারিত কিছু না বললেও তিনি জানান, তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও ১২ থেকে ১৮ জন ভিতরে আটকে রয়েছে। দ্রুত তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।  

 উল্লেখ্য, এদিন দুর্ঘটনার পরই তারাতলায় পৌঁছয় দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও সেনা। আনা হয় অত্যাধুনিক পদ্ধতির গ্য়াসকাটার, ক্রেন। পৌঁছেছে অ্য়াম্বুল্যান্স। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধার কাজ। এদিকে নবান্নের তরফে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। চালু করা হয়েছে তিনটি নম্বর। সেগুলো হল, 1070, 8697981070, 033 22143526 ও 033 22535185। এদিকে ইতিমধ্যেই শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যরা দুর্ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছেন। কান্নায় ভেঙে পড়ছেন তাঁরা। গোটা ঘটনায় তৃণমূলের দুর্নীতিকেই দায়ী করছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, বেআইনিভাবে গুদামটি তৈরি করা হচ্ছিল। কাটমানি নিয়ে এমন লোককে গোডাউন তৈরির কাজ দেওয়া হয়েছিল, যার এই কাজের কোনও অভিজ্ঞতাই নেই। পাশাপাশি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। যার জেরে এই ভয়ংকর পরিস্থিতি। এবিষয়ে পোর্টকে অভিযোগ জানানো হয়েছিল বলেই দাবি এলাকার এক বাসিন্দার। 


You might also like!