
কলকাতা, ৮ আগস্ট : বিশ্বখ্যাত কবি, সাহিত্যিক তথা দার্শনিক গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণদিবসে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা প্রাঙ্গণে তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হলো। ২২ শ্রাবণ উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোসের সঙ্গে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই অনুষ্ঠানে বিধানসভার প্রধান সচিব সোমেন্দ্র দাসও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান চলাকালীন বিধানসভা প্রাঙ্গণে গুরুদেবের সাহিত্য, তাঁর চিন্তাভাবনা এবং বাঙালি সমাজ তথা ভারতীয় সংস্কৃতিতে তাঁর সুদূরপ্রসারী প্রভাবের কথা স্মরণ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভা অধ্যক্ষের সঙ্গে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে বিধানসভার অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আজ গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণদিবস। গুরুদেব বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে বিশেষ সম্মানের আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর দূরদৃষ্টি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে সর্বদা সমৃদ্ধ করেছে।" ২২ শ্রাবণ বাঙালি সমাজের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এই দিনেই প্রয়াণ ঘটেছিল কবিগুরুর। তাঁর সৃষ্টি কেবল বাংলা নয়, সমগ্র ভারতের সাংস্কৃতিক চেতনাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। গুরুদেবকে ভারতীয় সাহিত্যের অন্যতম মহান ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৯১৩ সালে তিনি ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন, যা বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সাহিত্যকে এক অনন্য পরিচয় এনে দিয়েছিল।
বিধানসভা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদানের কথা স্মরণ করে কবিগুরুর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়। উল্লেখ্য, ২২ শ্রাবণ উপলক্ষে প্রতি বছরই সমগ্র রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।
