
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: সূর্য যখন সিংহ রাশি থেকে কন্যা রাশিতে প্রবেশ করে, সেই বিশেষ দিনেই পালিত হয় বিশ্বকর্মা পুজো। সাধারণত হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী কোনও পুজোর তিথি ও শুভ সময় নির্ধারণে চন্দ্রের গতিবিধিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। তবে বিশ্বকর্মা পুজোর ক্ষেত্রে রয়েছে কিছুটা ভিন্ন নিয়ম। এই পুজোর দিনক্ষণ নির্ধারিত হয় মূলত সূর্যের রাশি পরিবর্তনের উপর ভিত্তি করে। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, বিশ্বকর্মা হলেন দেবশিল্পী। স্থাপত্য নির্মাণ, শিল্পকর্ম এবং বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। তাই কারিগর, শিল্পী, নির্মাণকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের কাছে বিশ্বকর্মা পুজোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
শাস্ত্র অনুযায়ী, দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা একজন বৈদিক দেবতা। পুরাণে উল্লেখ রয়েছে, দেবগুরু বৃহস্পতির ভগিনী যোগসিদ্ধার সঙ্গে অষ্টম বসু প্রভাসের পুত্র হলেন বিশ্বকর্মা। দেবতাদের জন্য বিভিন্ন প্রাসাদ, অস্ত্র ও স্থাপত্য নির্মাণের কৃতিত্বও দেওয়া হয় তাঁকেই। সেই কারণেই সৃষ্টিশীলতা, কারিগরি দক্ষতা ও নির্মাণশিল্পের প্রতীক হিসেবে যুগ যুগ ধরে পূজিত হয়ে আসছেন দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা।
∆ বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে-
৩১ ভাদ্র, ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার।
তিথি (ভাদ্র শুক্লপক্ষ) ষষ্ঠী সকাল ১০টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত।অমৃতযোগগ- রাত ১২টা ৪৩ মিনিট থেকে ৩ টে ৫ মিনিট পর্যন্ত।
মাহেন্দ্রযোগ- সকাল ৭টা ৪ মিনিটের মধ্যে, পুনরায় ১০টা ১৯ মিনিট থেকে ১২টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত।
∆ গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে-
৩১ ভাদ্র, ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার।
অমৃতযোগ- সকাল ৭টা ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে মধ্যে, পুনরায় ৭টা ৫২ মিনিট ৮ সেকেন্ড গতে ১০টা ১৮ মিনিটেক মধ্যে, পুনরায় দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিট ৬ সেকেন্ড গতে ২টো ২১ মিনিট ৬ সেকেন্ডের মধ্যে, পুনরায় ৩টে ৫৯ মিনিট ১৪ সেকেন্ড গতে ৫টা ৩৫ মিনিট ২৯ সেকেন্ডের মধ্যে, পুনরায় সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিট ১৪ সেকেন্ড গতে ৮টা ৪৭ মিনিট ১০ সেকেন্ড পর্যন্ত।
মাহেন্দ্রযোগ- রাত ১০টা ২২ মিনিট ৫২ সেকেন্ড গতে ১১টা ৫ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের মধ্যে, পুনরায় রাত ৩টে ৫১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড গতে ৫টা ২৬ মিনিট ২৮ সেকেন্ড পর্যন্ত।
