Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

1 month ago

Prashant Kishore: কিংমেকার থেকে কিং! পিকে-র ঐতিহাসিক জয়ে চুপ তৃণমূল, শুরু রাজনৈতিক জল্পনা

Mamata silent on Prashant Kishor's success
Mamata silent on Prashant Kishor's success

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ভোটকৌশলবিদ হিসেবে দীর্ঘদিন দেশের রাজনৈতিক মহলে পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে সাফল্য এনে দিয়েছেন তিনি। তবে এবার তিনি নিজেই ভোটের ময়দানে নেমে প্রমাণ করলেন, শুধু ‘কিংমেকার’ নন, জনসমর্থন নিয়েও জয়ের ক্ষমতা রাখেন। বিহারের বাঁকিপুর উপনির্বাচনে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীনের শূন্য হওয়া আসনে জয়ী হয়ে জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা নিজের রাজনৈতিক যাত্রায় নতুন অধ্যায় যোগ করলেন। বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে এই জয়কে অনেকেই তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন। পশ্চিমবঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের পরিচিতি মূলত তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশলবিদ হিসেবেই। তাঁর পরিকল্পনায় একাধিক কঠিন নির্বাচনে সাফল্য পেয়েছিল তৃণমূল। সেই কারণেই বাঁকিপুরে তাঁর এই জয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে কোনও প্রকাশ্য শুভেচ্ছাবার্তা না আসায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। এই নীরবতার তাৎপর্য নিয়েই এখন চলছে বিস্তর আলোচনা। 

২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটকুশলী হিসেবে কাজ করেছিলেন প্রশান্ত কিশোর ও তাঁর সংস্থা আইপ্যাক। বলা হয়, অতি কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটব্যাঙ্ক অটুট রাখতে নানা গুরুত্বপূর্ণ শলা-পরামর্শ দিয়েছিলেন পিকে। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটেও আইপ্যাক কাজ করেছে তৃণমূলের হয়ে কিন্তু ততদিনে মালিকানা বদলে গিয়েছিল। পিকে আর ছিলেন না সংস্থায়। ফলাফল কী হয়েছে, সকলেই জানেন। 

যদিও তৃণমূল নেত্রী সম্পর্কে পিকে’র মনোভাব অতি উচ্চ। ২০২১ সাল নাগাদ ঘনিষ্ঠ মহলে পিকে’র বক্তব্য ছিল, ‘‘মমতাদিকে আমায় কিছু শেখাতে হবে বলে মনে করো? উনি এমনি এমনি এই জায়গায় পৌঁছেছেন? উনি আন্দোলনের নেত্রী। কিছু কিছু জায়গায় আমি পরামর্শ দিয়েছি। দলের ছোটখাটো ভুলচুক কিছু হলে তা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।” কিন্তু প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে দলের তৎকালীন সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত ছিল, ‘ওভাররেটেড’। বছর খানেক আগে তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন। এই কারণেই কি বাঁকিপুর জয়ের পরও প্রশান্ত কিশোরকে শুভেচ্ছা জানানোর সৌজন্যও দেখালেন না মমতা? প্রশ্ন উঠছে।

আবার মমতার এই নীরবতার নেপথ্যে কেউ কেউ অন্য রাজনৈতিক কৌশলও দেখছেন। তাঁদের মত, পিকে বা আইপ্যাক প্রসঙ্গ আর তুলতে চাইছে না কালীঘাট তৃণমূল। তাতে মামলার প্রসঙ্গ ফিরতে পারে এবং ফের নয়া বিতর্ক হতে পারে মমতার ভূমিকা নিয়েই। আরেক মহলের বক্তব্য, পিকে’র এই জয় বিজেপির ধাক্কা বলে মনে হলেও আসলে ইন্ডিয়া জোটই চাপে পড়ে গিয়েছে। ইন্ডিয়া জোটকে আটকাতে বাঁকিপুর থেকে নবগঠিত জন সুরাজ পার্টির প্রশান্ত কিশোরকে জিততে সাহায্য করেনি তো বিজেপি? যাতে পুরনো রাজনৈতিক শত্রুদের দমানো সহজ হয়? সেক্ষেত্রে জোটের সক্রিয় শরিক হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি পিকে’কে শুভেচ্ছা জানান, তাহলে ইন্ডিয়া জোট তা মোটেই ভালোভাবে নেবে না। 

You might also like!