
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ঐতিহ্যবাহী রাখিবন্ধন উৎসবের একটি বিজ্ঞাপনে নির্দিষ্ট পোশাক পরা নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন কৃতী শ্যানন। পোশাকে বক্ষবিভাজিকা দৃশ্যমান হওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁকে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল। হিন্দু সংস্কৃতিকে অসম্মান করার অভিযোগ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ার একাংশের পাশাপাশি সাংসদ-অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত-সহ কয়েকজন কট্টর হিন্দুত্ববাদী মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিও তাঁর সমালোচনা করেছিলেন। সেই বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে বলিউডের অভিনেত্রী দিশা পাটানির নাম। তাঁকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে নতুন করে চর্চা।
আম্বানি পরিবারের গণেশ পুজোয় সাহসী পোশাক পরে কটাক্ষের শিকার অভিনেত্রী। উজ্জ্বল লাল রঙের লেহেঙ্গার ব্লাউজেই সমস্যা! ডিপ-নেক ব্লাউজে উন্মুক্ত ক্লিভেজ। গণেশ পুজোর মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এহেন খোলামেলা পোশাক পরিবাহিতা দিশার রুচিবোধ নিয়ে সন্ধিহান সমালোচকরা। মেদহীন ছিপছিপে চেহারার দিশা পটানির সৌন্দর্য্যে বুঁদ সিনেপ্রেমীরা। কিন্তু, অভিনেত্রীর সাহসী পোশাক নিয়ে নানা মুনির নানা মত। প্রতিবারের মতো এবারও আম্বানিদের বাড়ির গণেশ পুজোয় ছিল তারকার ঢল। বিটাউনের সিংহভাগ সেলিব্রিটিই সাবেক সাজে নজর কেড়েছেন। ভিড়ের মাঝে নজর কেড়েছেন ‘লালপরী’ দিশা। হালকা মেকাআপ আর খোলা চুলের সৌন্দর্য্যকে আরও একটু তোল্লাই দিয়েছে তাঁর মিষ্টি হাসি। পাপারাজ্জিদের আবদারে ভিন্ন অ্যাঙ্গেলে ক্যামেরায় পোজও দিয়েছেন দিশা। সোশাল মিডিয়ায় ছবি প্রকাশ্যে আসতেই নিন্দার ঝড়।

এক নেটিজেন কৃতী শ্যাননের সমালোচকদের খোঁচা মেরে লিখেছেন, ‘কৃতী শ্যাননকে যাঁরা ট্রোল করেছিলেন তাঁরা একবার এটাও দেখে নিন।’ নেটপাড়ার আরেক সদস্যের মন্তব্য, ‘প্রত্যেকের সাজে শালীনতা বজায় রয়েছে। কিন্তু, উনি সবসময় শরীর প্রদর্শন করেন। ঢাকা পোশাক যেন পরতেই পারেন না।’ অপর এক নেটাগরিকের দাবি, ‘যে উৎসবই হোক না কেন একইরকম ব্লাউজ পরেন।’ অনেকেই দিশা পাটানির ফ্যাশন সেন্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। পুজোর দিনে এমন পোশাক মোটেই উপযুক্ত নয় বলে দাবি করেছেন অনেকেই। গণেশ চতুর্থীর দিন অনন্ত রুচিসম্মত পোশাক পরা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সোশালপাড়ার এক সদস্য। ‘কখনও মার্জিত পোশাক পরতে পারেন না?’ শুনতে হয়েছে এমন কটাক্ষও। ক্ষোভ উগরে দিয়ে কেউ বলেছেন, ‘দয়া করে কেউ ওকে একটু ভালো পোশাক কিনে দিন।’ কেউ আবার টিপ্পনি কেটেছেন, ‘গণপতি উদযাপনে এসেছেন নাকি গান পরিবেশন করতে?’
