
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: পুরভোটের আগে সংগঠনে বড়সড় রদবদল করল বিজেপি। নতুন করে মুখপাত্রদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে দীর্ঘদিন পর মুখপাত্রের দায়িত্বে ফিরলেন সায়ন্তন বসু এবং কেয়া ঘোষ। একইসঙ্গে মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বঙ্গ বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া সেলের দায়িত্বে থাকা সপ্তর্ষি চৌধুরীকেও। সপ্তর্ষি মুখপাত্রের দায়িত্ব পাওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়া কনভেনরের পদে আনা হয়েছে উপমন্যু ভট্টাচার্যকে। অন্যদিকে, বিজেপির আইটি সেলের আহ্বায়ক করা হয়েছে জয় মল্লিককে। পুরভোটের আগে দলের এই সাংগঠনিক রদবদলকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
বিজেপির বাংলা জয়ের স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। একুশে মরিয়া চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। তবে দলের বহু নেতা ছিলেন যারা দুর্দিনেও দলের সঙ্গেই ছিলেন। তবে পরবর্তীতে আদি-নব্য দ্বন্দ্বে অনেকে একনিষ্ঠ কর্মীই দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছিলেন। ২০২৬ সালে বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় আসার পরই আচরণে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি আদি নেতাদেরও যথাযথ সম্মান দেবেন। সোমবার বিজেপির মুখপাত্রদের তালিকা প্রকাশিত হতেই প্রমাণিত যে, কথা রেখেছেন শমীক। কারণ, মুখপাত্রের দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে সায়ন্তন বোস, কেয়া ঘোষদের। যাঁরা দুর্দিনে বিজেপির পতাকা হাতে রাস্তায় নেমেছেন বারবার। নতুন মুখপাত্রদের তালিকায় অনুযায়ী মুখ্য মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার। মুখপাত্ররা হলেন, রীতেশ তিওয়ারি, প্রণয় রায়, ড. তন্ময় মুখোপাধ্যায়, সপ্তর্ষি চৌধুরী, ওফেলিয়া সিংহ, অঙ্কন দত্ত, মেঘা সেন রায়, নিখিলপ্রসাদ সিংহ, শমীক দাসগুপ্ত।
পুরভোটকে পাখির চোখ করে খোলনলচে বদলে ফেলা হয়েছে বঙ্গ বিজেপির সোশাল মিডিয়া, আইটি ও মিডিয়া সেলের। মিডিয়া ডিপার্টমেন্টের কনভেনরের দায়িত্বে এবার অনুপম ঘোষ। সহ-আহ্বায়ক পার্থসারথী চৌধুরী, চন্দ্রশেখর বসুটিয়া। সোশাল মিডিয়ার আহ্বায়ক উপমন্যু ভট্টাচার্য। সহ-আহ্বায়ক প্রীতম ভট্টাচার্য, ক্যামেলিয়া সান্যাল। আইটি ডিপার্টমেন্টের আহ্বায়ক পদে রয়েছেন জয় মল্লিক। সহ-আহ্বায়ক রত্নেশ সিং, রামজ্যোতি সরকার, শুভজিৎ কর্মকার, সব্যসাচী রায়।
