
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: গণেশ দর্শনে যাওয়ার পথে এক আহত আলোকচিত্রীর দিকে নজর পড়ে সঞ্জয় দত্তের। পায়ে চোট নিয়ে কষ্ট করে চলাফেরা করছিলেন ওই ছবিশিকারি। বিষয়টি চোখে পড়তেই তাঁর কাছে এগিয়ে যান অভিনেতা। জানতে চান, কীভাবে চোট পেলেন তিনি। কথা বলে সঞ্জয় জানতে পারেন, বাইক দুর্ঘটনায় পায়ে আঘাত পেয়েছেন ওই আলোকচিত্রী। এরপরই তাঁর পরিস্থিতির খোঁজ নেন অভিনেতা। ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় বিষয়টি নিজেই দেখার আশ্বাস দেন সঞ্জয়। আহত আলোকচিত্রীকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার এই মানবিক আচরণেই ফের প্রশংসা কুড়িয়েছেন অভিনেতা। গণেশ চতুর্থীতে মুম্বইয়ে রাহুল কানালের বাড়িতে গিয়েছিলেন সঞ্জয়। সেখানেই ওই আলোকচিত্রীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। জানা গিয়েছে, বাইক দুর্ঘটনায় পায়ে চোট পেয়েছেন ওই চিত্রসাংবাদিক। সঞ্জয় তাঁকে তাঁর ম্যানেজার গৌরবের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। কিন্তু সেই ব্যক্তি জানান, ‘‘গৌরব তো ফোনই তোলে না।’’ তখনই সঞ্জয়ের আশ্বাস, ‘‘আমি করছি।’’

তারকার এই ছোট্ট কথোপকথনই মন জয় করেছে অনুরাগীদের। অনেকেই অভিনেতার এই মানবিকতার প্রশংসা করেছেন। এক জনের মন্তব্য, ‘‘বাবার মন খুবই বড়।’’ আলোকচিত্রীদের সঙ্গে সঞ্জয়ের এমন আন্তরিকতা অবশ্য নতুন নয়। ২০১৯ সালে বিমানবন্দরে গভীর রাত পর্যন্ত তাঁর ছবি তোলার জন্য অপেক্ষা করা চিত্রসাংবাদিকদের দেখে নিজেই এগিয়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা। সঞ্জয়ের সঙ্গে ছবিশিকারিদের দীর্ঘ দিনের সহজ সম্পর্কের কথাও ইন্ডাস্ট্রিতে অজানা নয়। কখনও তাঁদের সঙ্গে গল্পে মেতে উঠেছেন, কখনও আবার প্রয়োজনের সময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই গণেশ দর্শনের দিনেও এক আহত চিত্রসাংবাদিকের পাশে দাঁড়ানো যেন সেই পরিচিত ‘বাবা’রই আর এক ঝলক।
