
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ডিজিটাল ইন্ডিয়ার লক্ষ্যে নগদহীন অর্থনীতিতে জোর দিয়েছিল কেন্দ্রের মোদি সরকার। সেই নীতির সঙ্গেই সামঞ্জস্য রেখে দেশে দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা। তবে এবার সেই ডিজিটাল লেনদেনেই অতিরিক্ত ফি বসানোর নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র। মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এবার থেকে অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা এমডিআর কার্যকর করা হবে। যদিও এই অতিরিক্ত ফি কতটা হবে এবং কীভাবে তা আদায় করা হবে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-সহ দলের একাধিক নেতা এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
‘পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট’-এ সংশোধনী পাশ হয়েছে বাদল অধিবেশনে। ওই সংশোধনীতেই প্রস্তাব ছিল, অনলাইন আর্থিক লেনদেনে ফি আরোপ করা হবে। বলা হয়, ২ হাজার টাকার বেশি মূল্যের ইউপিআই লেনদেনের ওপর ০.৩ শতাংশ থেকে ০.৫ শতাংশ হারে এমডিআর দিতে হতে পারে। এবার সেই বিষয়টিই কার্যকর হতে চলেছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ২২ সদস্যের কমিটি আপাতত এমডিআর কাঠামো নিশ্চিত করবে। সেই কাঠামোর ভিত্তিতেই কর বসানো হবে ইউপিআই লেনদেনের উপর। এই এমডিআর বিষয়টি কী? যখন কোনও ব্যবসায়ী অনলাইনে অর্থ গ্রহণ করেন, তার জন্য ব্যাঙ্ককে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি প্রদান করেন। এই এমডিআর তথা মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বিষয়টি ২০২০ সালের পর থেকে আর ভারতের বাজারে কার্যকর ছিল না। সেসময় থেকেই ভারতে অনলাইন লেনদেনের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এবার মোদি সরকার এমডিআর ফেরানোর লক্ষ্যে আইন পাশ করেছে। যদিও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছেন, ছোটমাপের ব্যবসায়ীদের এই অতিরিক্ত ফি’র আওতায় আনা হবে না।
যদিও কংগ্রেসের দাবি, এটা স্রেফ পথ তৈরি করা হল আগামী দিনে সমস্ত অনলাইন পেমেন্টে ফি বসানোর জন্য। রাহুলের তোপ, ‘মার্কিন সংস্থাগুলি ভারতের এমডিআরমুক্ত ব্যবস্থার বিরোধিতা করে এসেছে দীর্ঘদিন। এবার মার্কিন চাপের মুখে নতিস্বীকার করলেন প্রধানমন্ত্রী।’ কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের কথায়, ব্যবসায়ীদের উপর কর বসানো হলে সেটা শেষ পর্যন্ত আমজনতার পকেট থেকেই উশুল হবে সেটা কেন্দ্র অবশ্যই জানে। কংগ্রেসের আশঙ্কা, ব্যবসায়ীদের উপর কর বসানোটা সবে শুরু। পরবর্তীকালে সমস্ত পেমেন্টের উপরই ফি বসাতে পারে কেন্দ্র।
मोदी सरकार ने चुपचाप UPI पर फ़ीस लगाने का रास्ता खोल दिया है। अब ₹2,000 से ऊपर के merchant UPI लेन-देन पर MDR लगाया जा सकता है। इन ट्रांजैक्शंस की संख्या भले ही सिर्फ़ 5% हो, लेकिन UPI के कुल transaction value का करीब 65% इन्हीं में है। सरकार कहती है कि ग्राहक से कोई फ़ीस नहीं ली जाएगी। लेकिन दुकानदार पर लगने वाली फ़ीस आखिर आएगी कहां से? कीमतों में जुड़कर ग्राहक की जेब से। अमेरिकी payment कंपनियां लंबे समय से भारत की zero-MDR नीति का विरोध करती रही हैं। अब मोदी सरकार ने ठीक उसी दिशा में नीति बदलने का रास्ता खोल दिया है। US Trade Deal की तरह ही, Compromised PM मोदी एक बार फिर अमेरिकी दबाव के सामने surrender कर रहे हैं।
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) September 15, 2026
