
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ধে নামার আগেই ঘাটে হুড়োহুড়ি। কারও কোলে শিশু, কারও হাতে ব্যাগ। দিনের শেষ জাহাজ ছেড়ে গেলে আর বাড়ি ফেরা হবে না। বিহারের ভাগলপুরের এমনই এক দৃশ্যের ভিডিয়ো এখন সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ১৫ অক্টোবর এক্স (টুইটার)-এ ভিডিয়োটি পোস্ট করেন সদন সিং। ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে বাবা-মায়েরা ছুটছেন ফেরির দিকে।
কেন এই অবস্থা? মেরামতির জন্য ভাগলপুরের বিক্রমশিলা সেতু ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সমস্ত যান চলাচলের জন্য বন্ধ। সেতুতে স্থায়ী স্টিল ট্রাস বসানোর কাজ চলছে। ফলে গঙ্গার দুই পাড় ভাগলপুর ও নওগাছিয়ার মধ্যে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এখন প্রশাসনের চালু করা ফেরি পরিষেবা।
ভাগলপুরের দিকে বরারি শিল্পাঞ্চলের বিয়াডা ঘাট থেকে বড় জলযান ছাড়ছে, পৌঁছচ্ছে নওগাছিয়ার জাহ্নবী চক ঘাটে। প্রথম ফেরি ছাড়ে সকাল ৬টায়, শেষটি ছাড়তেই হবে বিকেল ৫টার মধ্যে। প্রশাসন ভেবেছিল এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যেতে ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা লাগবে। কিন্তু প্রথম জাহাজ 'স্বামী পরমহংস' সকাল ৬টা ২৮ মিনিটে ছেড়ে নওগাছিয়া পৌঁছতে সময় নেয় প্রায় ২ ঘণ্টা ৭ মিনিট। জাহাজ পুরোপুরি ভর্তি না হলে ছাড়ছে না, তাই অনেক যাত্রীকে ঘাটে দু'-তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলে খবর।
তাই বিকেল গড়ালেই শেষ ফেরি ধরার তাড়া। নেটিজেনদের অনেকেই ভিডিয়ো দেখে লিখছেন, শুধু একটা সেতু বন্ধ হলে সাধারণ মানুষের রোজকার জীবন কতটা বদলে যায়, এই দৃশ্য তারই প্রমাণ। ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত এই দুর্ভোগ চলবে বলেই আশঙ্কা।
भागलपुर में आखिरी जहाज पकड़ने के लिए जिंदगी की दौड़ कोई बच्चों से मिलने को बेचैन, तो कोई परिवार के पास घर लौटने को बेकरार, बिहार के भागलपुर में आखिरी जहाज पकड़ने के लिए लोगों की दौड़ ने हर किसी को भावुक कर दिया। ये सिर्फ आखिरी जहाज पकड़ने की भागदौड़ नहीं थी, बल्कि अपनों तक पहुंचने की उम्मीद थी। हर कदम में जल्दबाजी थी, हर चेहरे पर बेचैनी और हर दिल में अपनों से मिलने की तड़प। भागलपुर विक्रमशिला सेतु क्षतिग्रस्त होने के कारण अगले 3 महीने तक विक्रमशिला सेतु को बंद कर दिया है। गंगा के इस पर से उसे पर जहाज के सहारे लोगों को पहुंचा जा रहा है।
— Sadan Singh (@SadanJee) October 15, 2026
