Breaking News
 
Kolkata High Court to CPIM: পুজোয় বুকস্টল বসানো নিয়ে বামেদের মামলা, দুর্গাপুজোর আগে শুনানিতে নারাজ হাই কোর্ট Anti-CEC row: জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলের পিটিশন, ‘রাষ্ট্রপতি প্রমাণ চাইতেই পালিয়েছেন’, তোপ বিজেপির CM Suvendu Adhikari: রাজস্ব আদায়ে নতুন নজিরের দাবি শুভেন্দুর, উপনির্বাচনে জয়ের পর হুমায়ুনকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর Houthi Strike Saudi Arabia | আগুনে জ্বলছে রিয়াধ বিমানবন্দর, হাউথি হামলায় মৃত ১৩, বিপদের মুখে দাম্মামও India protest: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সুপ্রিম অভিযান, রাহুল-মমতার কর্মসূচিকে নিশানা বিজেপির West Bengal Police: ‘পুলিশের সংখ্যায় উত্তরপ্রদেশকেও ছাপাবে বাংলা’, ১১ হাজার নিয়োগপত্র তুলে দিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর

 

Entertainment

2 years ago

Natasa Stankovic :বিচ্ছেদের ঘোষণা করেই হাসিমুখে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে নাতাশা! সার্বিয়া গিয়েই কী কাণ্ড ঘটালেন হার্দিকের প্রাক্তন?

Natasa Stankovic
Natasa Stankovic

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃএতদিন ধরে যে জল্পনা চলছিল অবশেষে তাতে সম্প্রতি সিলমোহর দিলেন হার্দিক এবং নাতাশা। জানিয়ে দিলেন তাঁরা সত্যিই বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন। যদিও তাঁরা তাঁদের সন্তানকে যৌথ ভাবেই মানুষ করবেন। আর এই কথা ঘোষণার পর ছেলে অগস্ত্যকে নিয়ে সার্বিয়া উড়ে গিয়েছেন নাতাশা। আর সেখানে গিয়েই জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরলেন তিনি। গেলেন সাইক্লিংয়ে।

১৯ জুলাই নাতাশা স্ট্যানকোভিচ সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ছবি এবং ভিডিয়ো পোস্ট করে অনুরাগীদের দেখিয়েছেন তিনি তাঁর দেশে ফিরে কীভাবে দিন কাটাচ্ছেন হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘোষণার পর। সেখানেই দেখা গেল তিনি সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন শহর ঘুরতে। এই ছবিতে তিনি হৃদয়ের ইমোজি দিয়েছেন। আর একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে তিনি জিমে শরীর চর্চা করছেন।

নাতাশা স্ট্যানকোভিচের শেয়ার করা ছবি এবং ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে তিনি কালো টিশার্ট এবং মাল্টি কালার শর্টস পরে রয়েছেন। এই পোশাকেই তিনি সানগ্লাস এবং টুপি পরে সাইক্লিং করতে গিয়েছিলেন। তিনি এদিন তাঁর সাইকেলের ছবিও পোস্ট করেন। ফলে বোঝাই যাচ্ছে বিচ্ছেদের খুব একটা প্রভাব তাঁর উপর পড়েনি। তিনি জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে গিয়েছেন।তাঁরা সম্প্রতি একটি সমবেত পোস্ট করে লেখেন, ‘চার বছর একসঙ্গে থাকার পর আমি ও নাতাশা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা অনেক চেষ্টা করেছি, নিজেদের সর্বস্বটা দিয়েছি। কিন্তু আমাদের মনে হয়েছে দুজনের জন্য এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। আনন্দ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সাহচর্য আমরা একসঙ্গে উপভোগ করেছি এবং একটি পরিবার হিসাবে বেড়ে উঠেছি, এই সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে কঠিন ছিল। অগস্ত্য আমাদের জীবনের আশীর্বাদপ্রাপ্ত, সে আমাদের দুজনের জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে এবং আমরা তার সুখের জন্য যা কিছু করতে পারি তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা সেটা অভিভাবক হিসাবে যৌথভাবে চেষ্টা করব।’


You might also like!