Breaking News
 
বিক্ষোভের জেরে দিল্লি অবরুদ্ধ কেন? যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের Anubrata Mandal: কেষ্টর নিরাপত্তায় রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ, এবার সশস্ত্র দেহরক্ষী পেলেন অনুব্রত Humayun Kabir: ‘২০২৯-এর পর দুবাই চলে যাব’, রেজিনগরে হারতেই বড় ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের! WB By-Elections: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির জয়জয়কার, ‘কংগ্রেস মরা দল’ কটাক্ষ শুভেন্দুর, সংখ্যালঘুদেরও ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর President Murmu to meet I.N.D.I.A. bloc leaders: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে একজোট ইন্ডিয়া, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে মমতা-রাহুলরা Appointment Letter for an Athlete: খেলার মাঠে সাফল্যের স্বীকৃতি, ৭৮ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে সরকারি চাকরির পথে রাজ্য সরকার

 

Country

1 hour ago

বিক্ষোভের জেরে দিল্লি অবরুদ্ধ কেন? যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Supreme Court
Supreme Court

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লিতে নজিরবিহীন কড়াকড়ির অভিযোগ উঠেছিল। নিরাপত্তার কারণে বন্ধ রাখা হয়েছিল একাধিক মেট্রো ও রেল স্টেশন। শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ব্যারিকেড বসানোর পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছিল অন্তত ২৬ হাজার নিরাপত্তারক্ষী। গণপরিবহণে এই অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি। মামলার শুনানিতে এ বার সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অধিকার নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তাঁর বক্তব্য, নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে গিয়ে আমজনতার যানবাহন ব্যবহারের উপর অযথা বিধিনিষেধ আরোপ করা যায় না। এই প্রসঙ্গেই তিনি মন্তব্য করেন, “একটা মাছি মারতে হাতুড়ি মারা যায় না।” 

শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের আগে এইভাবে কেন পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ করা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধী সাংসদ কপিল সিবল। শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি বলছেন, প্রতিবাদ নিয়ন্ত্রণ করতেই পারে সরকার। তারজন্য কড়াকড়িও হতে পারে। কিন্তু তার জন্য সমস্ত কিছু বন্ধ করে দেওয়া যায় না। দিল্লি সরকারকে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, যেসমস্ত রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেওয়া হচ্ছে তার বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, মেট্রো চড়ার অধিকার রয়েছে আমজনতার। সকলে যেন গণপরিবহন ব্যবহার করতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানিয়েছেন, মেট্রো স্টেশন খোলা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবেন। প্রধান বিচারপতির কথায়, “বহু মানুষেরই নিজস্ব গাড়ি নেই, তাঁদের ভরসা গণপরিবহন। কিন্তু মানুষের কাছে একটাও যানবাহনের বিকল্প নেই, এমনটা করা যায় না। কোনও একজন ব্যক্তিকে নিয়ে আমরা ভাবছি না। ভাবছি সেই হাজার হাজার মানুষের কথা যারা পেটের দায়ে দিল্লির নানা জায়গায় পাড়ি দেন। একটা মাছি মারার জন্য আপনারা হাতুড়ি ব্যবহার করতে পারেন না।”

কয়েকদিন আগে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে মুম্বইয়ে জমায়েত করেছিল সিজেপি। সেখান থেকেই যন্তরমন্তরে ফের প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়। সেই প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে দিল্লি যেন দুর্গে পরিণত হয়েছে। বাইরে থেকে যেন দিল্লিতে কেউ ঢুকতে না পারে তার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নয়াদিল্লি রেল স্টেশনে ট্রেন ঢোকা। একই দৃশ্য হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনেও। তার জেরে শুক্রবার শিয়ালদহ এবং হাওড়া থেকে নয়াদিল্লিগামী রাজধানী এক্সপ্রেস বাতিল হয়েছে। শনিবার ভোর চারটে থেকে দুপুর দু’টো পর্যন্ত নয়াদিল্লি স্টেশনে সমস্ত ট্রেন ঢোকা বন্ধ। বাতিল হয়েছে সেই ট্রেনগুলি। দিল্লির ৫৭টি মেট্রো স্টেশনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।  

You might also like!