Breaking News
 
বিক্ষোভের জেরে দিল্লি অবরুদ্ধ কেন? যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের Anubrata Mandal: কেষ্টর নিরাপত্তায় রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ, এবার সশস্ত্র দেহরক্ষী পেলেন অনুব্রত Humayun Kabir: ‘২০২৯-এর পর দুবাই চলে যাব’, রেজিনগরে হারতেই বড় ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের! WB By-Elections: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির জয়জয়কার, ‘কংগ্রেস মরা দল’ কটাক্ষ শুভেন্দুর, সংখ্যালঘুদেরও ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর President Murmu to meet I.N.D.I.A. bloc leaders: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে একজোট ইন্ডিয়া, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে মমতা-রাহুলরা Appointment Letter for an Athlete: খেলার মাঠে সাফল্যের স্বীকৃতি, ৭৮ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে সরকারি চাকরির পথে রাজ্য সরকার

 

West Bengal

1 hour ago

Humayun Kabir: ‘২০২৯-এর পর দুবাই চলে যাব’, রেজিনগরে হারতেই বড় ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের!

AJUP Chief Humayun Kabir
AJUP Chief Humayun Kabir

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  উপনির্বাচনে রেজিনগর হাতছাড়া হয়েছে হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির। ভোটগণনা শুরু হতেই ক্রমশ পিছিয়ে পড়তে থাকেন তাঁর ছেলে তথা এই কেন্দ্রের প্রার্থী গোলাম নবী আজাদ। অন্যদিকে, রাউন্ডের পর রাউন্ড গণনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের ব্যবধান। শেষ পর্যন্ত সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগরেও ফুটেছে পদ্মফুল। এই ফলাফলের আবহেই রাজনীতি ছেড়ে দুবাইয়ে চলে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর ঘোষণা, ২০২৯ সালের পর দুবাইয়ে চলে যাবেন তিনি এবং সেখানেই থাকবেন। 

এদিন হুমায়ুন বলেন, “২০২৯ পর্যন্ত ভারতে থাকব। ২৯ এর পরে ভারতবর্ষ থেকে চলে গিয়ে অন্য দেশে ওই দুবাইয়ে থাকব। ১০ বছরের ভিসা নিয়ে দুবাই চলে যাব।” মুর্শিদাবাদেই বাবরি মসজিদ তৈরি করছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি দুবাই চলে গেলে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কী হবে? সেই বিষয়ে হুমায়ুন বলেছেন, “এখন আমার প্রধান কাজ বাবরি মসজিদ তৈরি করে দেওয়া।” মসজিদের কাজ শেষ হলেই তিনি দুবাই যাবেন, সেই বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। শুধু তাই নয়, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা ভাসিয়ে রাখলেন নওদার বিধায়ক। হুমায়ুন বলেন, ” আর ২০২৯ সালের ভোটে যদি অধীর চৌধুরী ভোটে দাঁড়ায় ওকে আরেকবার হারানো।” 

রেজিনগর কেন্দ্র উপনির্বাচনে নিজেদের দখলে রাখবেন। জোর গলায় দাবি করেছিলেন হুমায়ুন। তবে ভোটের দিনই পুলিশ হুমায়ুনকে আটক করেছিল। রাতে থানা থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন। ভোটের ফলাফল যে নিজেদের দিকে থাকবে না, সেই ইঙ্গিত থানা থেকে বেরিয়েই জানিয়েছিলেন। এদিন গণনা শুরু হতেই দেখা যায় ক্রমশ পিছিয়ে পড়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। ভোটের পরদিনই হুমায়ুনকে কাঁদতে দেখা গিয়েছিল। এবার তিনি দুবাই চলে যাওয়ার কথা বলছেন। মুর্শিদাবাদে তাঁর পায়ের তলার মাটি সরছে, আন্দাজ করেই কি এমন বার্তা দিচ্ছেন হুমায়ুন? মানুষের মনে দুর্বলতা তৈরি করতেই দেশ ছাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন?

হুমায়ুন আরও বলেন, “আমাকে রেজিনগরের ওসি প্রায় ঘাড়ধাক্কা দিয়ে জোর খাটিয়ে পুলিশের ক্ষমতা দেখিয়ে ১২ ঘণ্টা বন্ধ করে রাখল। কারণ কী? আমি বাইরে থাকলে যে ভোট লুট করেছে, পুলিশ যে ভোট লুট করার নেতৃত্ব দিচ্ছে সেটা প্রতিরোধ হবে। তাই এতটাই ভয় পেয়েছিল যে হুমায়ুন কবীরকে থানার খাঁচায় পুরে রাখ। তারপরে তাদের কর্মীদের মেরুদণ্ডটা সব ভেঙে দাও। তারা মনোবল থেকে সরে যাক। আমরা নির্বিচারে লুট করব। সেই লুট যারা করেছে। তাদের সঙ্গে কোথায় যাব কাউন্টিং করতে?”  

You might also like!