Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

kolkata

5 days ago

Calcutta HC: ‘রাজনৈতিক দলের নির্দেশে কমিশন কাজ করলে…’, খাম প্রতীক মামলায় কড়া মন্তব্য হাই কোর্টের

Naushad Siddique
Naushad Siddique

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ‘খাম’ প্রতীক বিতর্ক সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। তবে আপাতত রায় ঘোষণা স্থগিত রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার মামলাটির শুনানি শেষে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও রায়দান স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানান। এ দিন শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত। মামলাটির পরবর্তী গতিপ্রকৃতি এখন আদালতের রায়ের দিকেই। 

রাজ্যের দুই কেন্দ্র নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন। তার আগে ‘খাম’ প্রতীক নিয়ে তুঙ্গে চাপানউতোর। নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী নির্দেশে এই প্রতীকটি দিয়েছে ঋতব্রত শিবিরকে। অথচ এই প্রতীকটি বরাবর আইএসএফের। কমিশনের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ নওশাদ সিদ্দিকি। এই মামলায় কমিশনকে ভর্ৎসনা নির্বাচন কমিশনের। বিচারপতি বলেন, “যদি নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ করে তাহলে আর কী করার থাকে আদালতের? কমিশনের সিদ্ধান্ত নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। কোনও সমস্যাই হত না যদি কাউকেই না দেওয়া হত এই প্রতীক। ফ্রি সিম্বল ঠিক আছে কিন্তু সেটা তাহলে আপনি অন্যকে দিলেন কেন? বিধানসভা নির্বাচনে যে দল একটা প্রতীকে লড়াই করেছে কেন সেটা আপনি অন্যকে দিলেন?” নির্বাচন কমিশনের জবাব, “কোনও রাজনৈতিক দলকে দু’বারের বেশি একই ফ্রি সিম্বল দেওয়া যায় না। প্রতীক কারও সম্পত্তি নয়। যেখানে আইনগত অধিকার নেই সেখানে দাবি করে কী করে?” 

বিচারপতি এরপর কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ, কমিশনকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হত যাতে কোনও জটিলতা তৈরি না হয়। নির্বাচন কমিশনের সচেতন থাকা উচিত যাতে আদালতের ঘাড়ে বোঝা না চাপে। বিচারপতির প্রশ্ন, “আইনের কোন ধারা অনুযায়ী এই সিম্বল আইএসএফকে না দিয়ে অন্যকে দেওয়া হল? দু’জন ব্যক্তি যদি একই প্রতীকের জন্য আবেদন করে, তাহলে কীভাবে সিম্বল একজনকে দেওয়া হয়?” এরপর হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “যদি নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতমূলক আচরণ করে তাহলে কোর্টের আর কী করার থাকে। কমিশনের সিদ্ধান্ত নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। আপনি সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ। আপনাকে সমস্ত প্রশ্নের উত্তরের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” সবপক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর আপাতত সংরক্ষিত রায়। তাই খাম প্রতীক কার হাতে যাবে, তা এখন আদালতের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে। 

You might also like!