
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোর সকালে গরমাগরম কচুরি, শিঙাড়া আর জিলিপি দিয়ে শুরু, বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় ফিশফ্রাই, আর রাতে নিমন্ত্রণবাড়িতে পোলাও-মটনে জমিয়ে ভোজ। উৎসব শুরু হলেই বাঙালির খাওয়াদাওয়ার তালিকাও যেন আপনাআপনিই লম্বা হতে থাকে। তবে বাঙালির শারদোৎসব তো শুধু চার দিনের নয়। দুর্গাপুজোর পর বিজয়ার মিষ্টিমুখ, লক্ষ্মীপুজোর খিচুড়ি, তারপর দীপাবলি, কালীপুজো, ভাইফোঁটা, জগদ্ধাত্রী পুজো—সব মিলিয়ে উৎসবের আমেজ চলতে থাকে প্রায় এক মাস। ফলে উৎসবের এই দীর্ঘ সময়ে রোজকার খাবারের নিয়মও অনেকটাই বদলে যায়। একের পর এক ভোজ, ভাজাভুজি ও মিষ্টিমুখের মাঝে পেটের যত্ন না নিলে পরে অস্বস্তিতে পড়তে হতে পারে। তাই উৎসবের মরশুমে খাবারের পাশাপাশি হজমশক্তি ও ওজন নিয়ন্ত্রণের দিকেও নজর রাখা জরুরি। রোজের ডায়েটে কয়েকটি সহজ পানীয় রাখতে পারেন, যা শরীরকে সতেজ রাখার পাশাপাশি হজমের ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
১) জিরের জল: জিরের ‘থার্মোকুইনান’ নামক যৌগটি পেটে অতিরিক্ত মেদ জমতে দেয় না। এ ছাড়াও জিরেতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি যৌগ পেটফাঁপা, গ্যাস, অম্বল কমাতে সাহায্য করে। হজমেও সাহায্য করে এই পানীয়। সকালে খালি পেটে খেলে উপকার পাবেন বেশি।
২) মৌরি ভেজানো জল: মেদ ঝরাতে নিয়মিত মৌরি ভেজানো জলও খেতে পারেন। মৌরি পেট ঠান্ডা রাখে। মৌরিতে থাকা যৌগগুলি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। বিপাকহার উন্নত করতেও সাহায্য করে এই পানীয়। রোজ খালি পেটে এই পানীয় খাওয়া যেতে পারে।
৩) জোয়ান ভেজানো জল: ভরপেট খাবার খাওয়ার পর একটু জোয়ান চিবিয়ে খেলে হজম হয়ে যায় তাড়াতাড়ি। পেটের ভিতর কোনও রকম ক্ষত সারাতেও জোয়ানের ব্যবহার রয়েছে আয়ুর্বেদ মতে। এ ছাড়া, পেট ফাঁপার সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় জোয়ান। ভারী খাওয়াদাওয়ার পর ঈষদুষ্ণ জোয়ান-জল খাওয়া যেতে পারে।
