
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ঠাকুর দেখতে বেরোলে সাজগোজ একেবারে নিখুঁত হওয়াই চাই। কিন্তু মুখে হঠাৎ ব্রণ বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে পুরো সাজটাই মাটি হয়ে যেতে পারে। ত্বকের ধরন যেমনই হোক, কমবেশি ব্রণর সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। রাতে পরিষ্কার মুখ নিয়ে ঘুমিয়ে সকালে উঠে হঠাৎ বড় ব্রণ দেখা দেওয়াও অস্বাভাবিক নয়। পুজোর মরসুমে এমন সমস্যা হলে অস্বস্তি আরও বাড়ে। এই পরিস্থিতিতে ভরসা জোগাচ্ছে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল ‘পিম্পল প্যাচ’। ছোট্ট, প্রায় অদৃশ্য এই স্টিকার নাকি রাতারাতি ব্রণ শুকিয়ে দিতে পারে। কিন্তু সত্যিই কি এতটা কার্যকর এই প্যাচ? আসলে পিম্পল প্যাচ হল হাইড্রোকলয়েড দিয়ে তৈরি এক ধরনের ছোট ব্যান্ডেজ। কাটা-ছেঁড়ার জায়গায় ব্যবহৃত হাইড্রোকলয়েড ড্রেসিংয়ের সঙ্গে এর বেশ মিল রয়েছে। বাজারে মূলত দু’ধরনের পিম্পল প্যাচ পাওয়া যায়।
১. হাইড্রোকলয়েড প্যাচ: এটি ব্রণের ভিতরের পুঁজ, তেল এবং নোংরা শুষে নেয়। ব্রণতে হাত দেওয়া বা খোঁটা আটকায়, ফলে দাগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে।
২. মেডিকেটেড প্যাচ: এর মধ্যে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, টি ট্রি অয়েল বা নায়াসিনামাইডের মতো উপাদান থাকে। যা ব্রণের প্রদাহ কমায় এবং ব্যাক্টেরিয়া মারতে সাহায্য করে। এটি ব্রণের উপর একটি সিল তৈরি করে, বাইরের ধুলোময়লা ঢুকতে দেয় না এবং ব্রণ দ্রুত শুকোতে সাহায্য করে।
∆ ব্যবহার করবেন কীভাবে?
১. মুখ ভাল ভাবে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন। কোনও ক্রিম বা সিরাম লাগাবেন না প্যাচ লাগানোর আগে।
২. শুকনো হাতে প্যাচটি তুলে ব্রণের উপর সরাসরি লাগান।
৩. ৬-৮ ঘণ্টা বা সারারাত রেখে দিন। প্যাচটি ফুলে উঠলে বুঝবেন কাজ করেছে।
৪. সময়মতো আলতো করে তুলে ফেলে জায়গাটি আবার পরিষ্কার করে নিন।
মনে রাখবেন: দিনে একবারের বেশি একই জায়গায় ব্যবহার করবেন না। ফেটে যাওয়া বা খুব বেশি প্রদাহযুক্ত সিস্টিক ব্রণতে এটি খুব একটা কাজ করে না।
কতটা লাভ?
রাতারাতি ব্রণের ফোলাভাব ও লালচে ভাব কমায় এই প্যাচ। ব্রণ খোঁটার বদভ্যাস আটকায়, তাই দাগ পড়ে না। মেকআপের নীচেও ব্যবহার করা যায়, কারণ বেশিরভাগ প্যাচই স্বচ্ছ। তবে ঘন ঘন ব্যবহার না করাই ভাল।
