
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: শুধু গালে গোলাপি আভা আনতেই নয়, সঠিকভাবে ব্লাশ ব্যবহার করলে মুখের গড়নেও আসতে পারে পরিবর্তন। অনেকেই মনে করেন, ব্লাশ লাগানো বেশ সহজ কাজ। কিন্তু ভুল জায়গায় ব্লাশ লাগালে পুরো মেকআপের সৌন্দর্যই মাটি হতে পারে। রূপটানশিল্পীদের মতে, ব্লাশ দিয়ে মুখের গড়ন আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে হলে প্রথমেই জানতে হবে নিজের মুখের আকার কেমন। কারণ, গোলাকার, লম্বাটে কিংবা ডিম্বাকৃতি—প্রতিটি মুখের গড়ন অনুযায়ী ব্লাশ লাগানোর কৌশলও আলাদা। অনেকেই ভাবেন, গালের উপর সামান্য রং লাগালেই ব্লাশের কাজ শেষ। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি একেবারেই তেমন নয়! সঠিক জায়গায় এবং সঠিক কায়দায় ব্লাশ লাগাতে পারলে মেকআপে আসতে পারে পেশাদার ছোঁয়া। চলুন, জেনে নেওয়া যাক মুখের গড়ন অনুযায়ী ব্লাশ লাগানোর সহজ কিছু কৌশল।
∆ মুখের আকার অনুযায়ী ব্লাশ লাগানোর সঠিক উপায়—
১. ডিম্বাকৃতি মুখে: গালের হারের (চিকবোন) উঁচু অংশে ব্লাশ লাগিয়ে কানের লতির দিকে টেনে ব্লেন্ড করুন। ব্রাশ টেনে নিয়ে যান কপালের দিকে, ভুরুর দু’পাশে।
২. চৌকো মুখে: চৌকো মুখের ধারালো ভাব কমাতে ব্লাশ লাগাতে হবে চিকবোনের একটু উপরে। ব্রাশে ব্লাশ নিয়ে হালকা হাতে উপরের দিকে টেনে নিন। ভুরু থেকে নাক পর্যন্ত কভার করুন। ভুপুর ধার থেকে হেয়ারলাইন পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন ভাল করে।
৩. গোল মুখে: মুখ সরু আর ধারালো দেখাতে অ্যাঙ্গুলার মোশনে ব্লাশ লাগান। হাসলে গালের যে অংশ ফোলে, সেখান থেকে ভুরুর দিকে টানুন। ভুলেও নাকের দিকে ব্লেন্ড করবেন না, তাতে মুখ আরও গোল লাগবে।
৪. পানপাতার মতো মুখে: চিকবোনের নীচের দিক থেকে ইংরেজি ‘সি’ আকারে ভুরুর পাশ থেকে নীচের দিকে লাগান। অনেকটা কন্ট্যুরের মতো। এতে আপনার চওড়া চোয়াল ব্যালান্স হবে আর গালের হাড় হাইলাইট হবে।
৫. হিরের মতো মুখে: মুখের নীচের অংশে নজর টানতে হবে। গালের খাঁজে কখনও ব্লাশ লাগাবেন না। বরং চিকবোনের উপরে লাগিয়ে কানের দিকে ব্লেন্ড করুন।
