
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: তারকা হওয়া মানেই সব সময়ই ক্যামেরার নজরে থাকা। চারপাশে পাপারাজ্জিদের ভিড়, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ আর ছবি তোলার তাড়াহুড়ো—ব্যক্তিগত পরিসর অনেক সময়ই হারিয়ে যায়। এই পাপারাজ্জি সংস্কৃতি নিয়ে মাঝেমধ্যেই অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায় সেলেবদের। বিশেষ করে অভিনেত্রীদের পোশাক ও শরীরের সংবেদনশীল অংশে ক্যামেরা তাক করে ছবি তোলার অভিযোগও নতুন নয়। এমন অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন বর্তমান প্রজন্মের অভিনেত্রীদের পাশাপাশি বর্ষীয়ান তারকারাও। সম্প্রতি মুম্বইয়ের রাস্তায় এমনই এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু কাপুর। তবে পরিস্থিতি সামলে চুপ করে থাকেননি তিনি। পাপারাজ্জিদের আচরণে অসন্তোষ প্রকাশ করে তাঁদেরই কড়া ভাষায় শিষ্টাচারের পাঠ দেন কাপুরবধূ।
যে কোনও অনুষ্ঠানেই পাপারাজ্জিদের টার্গেট অভিনেত্রীদের পশ্চাৎদেশে আর বক্ষবিভাজিকা! তাঁরা সমস্বরে ক্যামেরার দিকে পিঠ দিয়ে অভিনেত্রীদের পোজ দেওয়ার আবদার করেন। পাপারাজ্জিদের ছবি তোলার এই প্রবণতার তীব্র বিরোধীতা করেছেন ইন্ডাস্ট্রির বহু অভিনেত্রী। জাহ্নবী কাপুর থেকে নেহা ভাসিন, নেহা ধুপিয়া, আয়েশা খান, রশ্মি দেশাই, শানায়া কাপুর, মানুষী ছিল্লারের মতো অনেকেই প্যাপেদের এই সংস্কৃতির তীব্র বিরোধীতা করেছেন। সতীর্থদের পাশে দাঁড়িয়ে সুর চড়িয়েছেন বলিউডের ভাইজান সলমন খানও। এবার ঠিক একই কারণে রেগে আগুন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু কাপুর। পাপারাজ্জিদের অ্যাঙ্গেল শুনেই নীতুর পালটা, “পিছনটা খুব ভালো লাগে তাই না?” সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কোনও একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে গাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ছবিশিকারিরা তাঁকে পিছন দিক থেকে পোজ দেওয়ার অনুরোধ করেন।

সঙ্গে সঙ্গে পিছন ফিরে ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে প্রশ্ন করেন, “আপনাদের পিছন দিকটা এত ভালো লাগে, তাই না?” নীতু কাপুরের মতো একজন বর্ষীয়ান, স্বনামধন্য অভিনেত্রীর মুখে এমন অপমানজনক কথা শুনে অস্বস্তিতে পড়ে যান সেখানে উপস্থিত প্যাপেরা। এরপর নীতু গাড়িতে উঠে দরজা বন্ধ করে দেন। পাপারাজ্জিদের এহেন আচরণের জন্য নিন্দায় সরব নেটভুবন।
