
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের বিষয়টি নিয়ে বুধবার দিল্লিতে বৈঠকে বসেছে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলি। পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে পরবর্তী কৌশল নির্ধারণ এবং বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয় আরও মজবুত করার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। তবে বৈঠকে আম আদমি পার্টি এবং ডিএমকের মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দল উপস্থিত না থাকায় বিরোধী ঐক্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবও বৈঠকে যোগ দেননি। ফলে ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের মধ্যে মতপার্থক্য ও সমন্বয়ের ঘাটতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ফের চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও বৈঠকের উদ্দেশ্য কতটা সফল হয়েছে, তা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের ভিন্ন মত রয়েছে।
দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে চলেছে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক। আসলে জাতীয় স্তরে বিজেপির বিরুদ্ধে রণকৌশল সাজাতে এবং ‘ভোটচুরি’ বিতর্কে বৃহত্তর বিরোধী ঐক্য চাইছে কংগ্রেস। তবে বিরোধীদের একজোট করতে ফের প্রথম উদ্যোগটা নিয়েছিলেন কালীঘাট তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতে রাহুল গান্ধী, অখিলেশ-সহ অন্য বিরোধী নেতার সঙ্গেও কথা হয় মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমোর। কিন্তু তারপরই ধাক্কা খেল বিরোধী ঐক্য। সমাজবাদী পার্টির তরফে জানানো হয়েছে, উত্তরপ্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে অখিলেশ বৈঠকে যোগ দিতে পারছেন না। বৈঠক থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছে আপ, ডিএমকের মতো দলও।
