Breaking News
 
Mukundapur Chaos: মুকুন্দপুরে কার্যালয় দখল নিয়ে ধুন্ধুমার! সংঘর্ষের পর ২ মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার Election Commission: SIR নিয়ে কমিশনেই মতপার্থক্য? জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্তে ‘অসহমতি’ ২ কমিশনারের, সরব তৃণমূল Maa Tara Express: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান! বারাকপুরে থামল মা তারা এক্সপ্রেস, বিধায়কের মুখে ‘ডবল ইঞ্জিনের বেনিফিট’ Piyush Kanoria argument: তোলাবাজি-সিন্ডিকেট নিয়ে বিজেপির সভায় তুমুল উত্তাপ! শারদ্বতকে আঙুল তুলে প্রশ্ন পীযূষের Attack on Mamata TMC workers: মুকুন্দপুরে তৃণমূল কর্মীদের পাশে কংগ্রেস! ‘বর্বরোচিত’ হামলার প্রতিবাদ, জোটের সমীকরণে নতুন মোড়? CM Suvendu Adhikari: লাখ লাখ ফেনসিডিল গুঁড়িয়ে দিল বুলডোজার! ইকোপার্ক থেকে নিষিদ্ধ কাফসিরাপ ব্যবসায় কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

 

Country

1 hour ago

Severe drought grips Yavatmal: টানা ৫৫ দিন বৃষ্টিহীন ইয়াভাতমাল, ৭২-এর স্মৃতি ফিরতেই ত্রাণের দাবিতে সরব কৃষকরা

Severe drought grips Yavatmal
Severe drought grips Yavatmal

 

ইয়াভাতমাল (মহারাষ্ট্র), ২৩ সেপ্টেম্বর : স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত এবং গত প্রায় দু’মাস ধরে এক ফোঁটাও বৃষ্টির দেখা না মেলায় চরম খরার মুখে মহারাষ্ট্রের ইয়াভাতমাল জেলা। মাঠেই শুকিয়ে খড় হয়ে যাচ্ছে অপরিপক্ক তুলো ও সয়াবিন গাছ। ফসলের বিপুল ক্ষতি, পানীয় জল ও গোখাদ্যের তীব্র সংকটের জেরে কার্যত ১৯৭২ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের স্মৃতি ফিরে আসছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন স্থানীয় কৃষকরা। এমন পরিস্থিতিতে অবিলম্বে সরকারি ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তার দাবি তুলেছেন এলাকার কৃষক ও খেতমজুররা।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে স্থানীয় কৃষক মণীশ যাদব বলেন, "গত ৫৫ দিন ধরে এখানে বৃষ্টি নেই। বৃষ্টিপাতের অভাব এতটাই মারাত্মক যে মাঠের তুলো ও সয়াবিন ফসল পাকার আগেই শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমাদের এলাকার অবস্থা ১৯৭২ সালের খরার চেয়েও খারাপ। মাঠে গবাদি পশুর জন্য ঘাস বা চারা নেই, গোখাদ্যের তীব্র সংকট শুরু হয়েছে। এভাবে চললে মানুষ গ্রাম ছেড়ে গণহারে পরিযায়ী হতে বাধ্য হবে। সবচেয়ে দুঃখের বিষয়, এত বড় সংকটের পরেও কোনও জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসনিক আধিকারিক আমাদের খোঁজ নিতে আসেননি।"

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইয়াভাতমালের বিস্তীর্ণ অংশে প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিত তুলো ও সয়াবিন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কৃষকদের পাশাপাশি সরাসরি জীবিকা হারিয়েছেন দিনমজুররাও। একাধারে আয়ে ধস এবং অন্যদিকে জল ও পশুখাদ্যের আকালের কারণে গোটা জেলায় হাহাকার তৈরি হয়েছে। এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে ঋণের বোঝা ও আর্থিক বিপর্যয় থেকে বাঁচতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অবিলম্বে এলাকাটিকে খরাগ্রস্ত ঘোষণা করে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও ত্রাণ প্যাকেজ চালুর জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

You might also like!