Breaking News
 
Mukundapur Chaos: মুকুন্দপুরে কার্যালয় দখল নিয়ে ধুন্ধুমার! সংঘর্ষের পর ২ মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার Election Commission: SIR নিয়ে কমিশনেই মতপার্থক্য? জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্তে ‘অসহমতি’ ২ কমিশনারের, সরব তৃণমূল Maa Tara Express: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান! বারাকপুরে থামল মা তারা এক্সপ্রেস, বিধায়কের মুখে ‘ডবল ইঞ্জিনের বেনিফিট’ Piyush Kanoria argument: তোলাবাজি-সিন্ডিকেট নিয়ে বিজেপির সভায় তুমুল উত্তাপ! শারদ্বতকে আঙুল তুলে প্রশ্ন পীযূষের Attack on Mamata TMC workers: মুকুন্দপুরে তৃণমূল কর্মীদের পাশে কংগ্রেস! ‘বর্বরোচিত’ হামলার প্রতিবাদ, জোটের সমীকরণে নতুন মোড়? CM Suvendu Adhikari: লাখ লাখ ফেনসিডিল গুঁড়িয়ে দিল বুলডোজার! ইকোপার্ক থেকে নিষিদ্ধ কাফসিরাপ ব্যবসায় কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

 

kolkata

1 hour ago

Attack on Mamata TMC workers: মুকুন্দপুরে তৃণমূল কর্মীদের পাশে কংগ্রেস! ‘বর্বরোচিত’ হামলার প্রতিবাদ, জোটের সমীকরণে নতুন মোড়?

Mamata Banerjee & Subhankar Sarkar
Mamata Banerjee & Subhankar Sarkar

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনকে ঘিরে এমনিতেই প্রদেশ কংগ্রেস এবং মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে দূরত্ব কিছুটা কমেছে। এ বার সেই সমীকরণে আরও একটি নতুন মাত্রা যোগ হল। মুকুন্দপুরে আক্রান্ত তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। শুভঙ্করের বক্তব্য, এই ধরনের ‘বর্বরোচিত’ হামলার বিরুদ্ধে সমস্ত গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। মুকুন্দপুরের ঘটনায় তৃণমূলের পাশে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির এই অবস্থান দুই শিবিরের রাজনৈতিক দূরত্ব আরও কমার ইঙ্গিত বলেই মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনে কংগ্রেস এবং মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে জোটের সম্ভাবনার পথও এর ফলে আরও কিছুটা প্রশস্ত হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। 

মঙ্গলবার সন্ধেয় মমতা তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুকুন্দপুর এলাকা। কালীঘাটপন্থীদের অভিযোগ, যাদবপুর এলাকায় তাদের বেশ কয়েকটি কার্যালয় দখল করেছে বিজেপি। প্রতিবাদে মঙ্গলবার মুকুন্দপুরে তারা মিছিল করতে গেলে বিজেপি কর্মীরা চড়াও হন বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন প্রাক্তন আইপিএস তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীর, আইটি সেলের নেত্রী উপাসনা চৌধুরী-সহ কয়েকজন মমতা তৃণমূলের কর্মী। ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের বিবৃতি, ‘এই বর্বরোচিত হামলায় তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক হুমায়ুন কবীর সহ একাধিক নেতা কর্মী গুরুতরভাবে আহত ও রক্তাক্ত হয়েছেন। এই ঘটনার পর আরও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পূর্ব যাদবপুর থানাকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় নিরাপত্তার কারণে থানার ভিতরে আশ্রয় নিয়েছেন এবং বিজেপি কর্মীরা থানা ঘেরাও করে তাকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।’ শুভঙ্কর ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে শাস্তির দাবি করে রাজ্যের বিরোধী পরিসরকে একজোট করার বার্তা দিয়েছেন। তবে সুকৌশলে শর্তও চাপিয়েছেন। বুঝিয়ে দিয়েছেন কোনও জোট হলে তার রাশ থাকবে কংগ্রেসের হাতেই। শুভঙ্করের কথায়, “আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। বাংলায় গণতন্ত্রকে বাঁচাতে এই ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সমস্ত গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সেই ঐক্যের নেতৃত্ব দেবেন রাহুল গান্ধী।”

শুভঙ্কর জানিয়েছেন, বুধবার তিনি নিজে কালীঘাট তৃণমূলের আহত কর্মীদের দেখতে যাবেন। যা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রদেশ কংগ্রেস এবং কালীঘাটের মধ্যে যে দীর্ঘ রাজনৈতিক দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, সেটা যে ধীরে ধীরে কমছে, তা শুভঙ্করের বয়ানেই স্পষ্ট। 

You might also like!