Breaking News
 
Dilip Ghosh: সরকারি অনুদান নিলে মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি? বিতর্কের মাঝেই ‘মমতার আমল’ টেনে দিলীপের বার্তা LED Ads at Puja pandal: পুজো মণ্ডপে এলইডি বিজ্ঞাপনে চড়া কর! ৫০ হাজার পর্যন্ত গুনতে হবে, পুরসভার নয়া নির্দেশ Government Employees Salary: পুজোর আগেই সরকারি কর্মীদের বড় সুখবর! অক্টোবরে অগ্রিম বেতন, সঙ্গে বর্ধিত ডিএ NCPI’s New Panel: এনসিপিআইয়ের জাতীয় কমিটিতেও নেই সুদীপ-কাকলি! সিনিয়র সাংসদদের বাদ দিয়েই তালিকা প্রকাশ, তুঙ্গে চর্চা Mukundapur Chaos: মুকুন্দপুরে কার্যালয় দখল নিয়ে ধুন্ধুমার! সংঘর্ষের পর ২ মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার Election Commission: SIR নিয়ে কমিশনেই মতপার্থক্য? জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্তে ‘অসহমতি’ ২ কমিশনারের, সরব তৃণমূল

 

kolkata

1 hour ago

Mukundapur Chaos: মুকুন্দপুরে কার্যালয় দখল নিয়ে ধুন্ধুমার! সংঘর্ষের পর ২ মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার

TMC workers arrested
TMC workers arrested

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মমতা তৃণমূল এবং বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুকুন্দপুর এলাকা। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের অভিযোগ, যাদবপুর এলাকায় তাদের একাধিক দলীয় কার্যালয় বিজেপি দখল করেছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে মুকুন্দপুরে মিছিল বের করেছিলেন তাঁরা। অভিযোগ, মিছিল চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের উপর চড়াও হন। এই ঘটনায় দুই মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম শ্রীদিব দাস এবং বিক্রম পাণ্ডে। তৃণমূলের অভিযোগ, মিছিলের উপর হামলার ঘটনায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাই জড়িত ছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ ওঠা তৃণমূল কর্মীদেরই কেন গ্রেপ্তার করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কালীঘাট শিবির। গ্রেপ্তারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। 

দক্ষিণ কলকাতার মুকুন্দপুরে পার্টি অফিস দখল ঘিরে ওই বিবাদের সূত্রপাত। ওই কার্যালয়ের সামনে মিছিল করে গতকাল জড়ো হয়েছিলেন মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মীরা। এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাও ছিলেন। ওই মিছিলে হামলার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। পালটা হামলার অভিযোগও তোলে বিজেপি। কথা কাটাকাটির মধ্যেই শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি। ডিম ছোড়াও হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার গুরুতর জখম হন প্রাক্তন আইপিএস তথা তৃণমূলের নেতা হুমায়ুন কবীর। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের আইটি সেলের নেত্রী উপাসনা চৌধুরী-সহ বেশ কয়েকজন জখম হন। 

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়, বিনা প্ররোচনায় দলের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের কর্মসূচির ভিডিওগ্রাফি করছিলেন বিজেপির এক কর্মী। তা দেখেই চটে যান তৃণমূলকর্মীরা। সেই কর্মীর উপর চড়াও হন। এরপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। বিজেপির তরফে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছিল হামলার ঘটনায়। তদন্তে নেমে রাতেই শ্রীদিব দাস ও বিক্রম পাণ্ডে নামে ওই দুই তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মুকুন্দপুরের ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, “হুমায়ুন কবীরকে মারবে কেন? উনি তো তৃণমূলও নয়, বিজেপিও নয়। নিজেরা অফিস ভাঙছে, ড্রামা করে খালি প্রচারে আসার চেষ্টা করছে। এইসব ঘটনা নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। ওরা নিজেরা অস্তিত্ব সঙ্কটে ভুগছে। নাটক করে বেশি কিছু হবে না।”   

You might also like!