
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে বারাকপুর স্টেশনে থামল মা তারা এক্সপ্রেস। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বারাকপুরবাসীর জন্য এই ট্রেনের স্টপেজকে বড় ‘উপহার’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বুধবার সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে বারাকপুর স্টেশনে এসে দাঁড়ায় মা তারা এক্সপ্রেস। ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছতেই যাত্রীদের মধ্যে তৈরি হয় উৎসাহের পরিবেশ। এই বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন উপস্থিত যাত্রীরা। লোকো পাইলট এবং গার্ডের হাতে নিজেই পদ্মফুল তুলে দেন বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। অন্যদিকে ঢোল বাজিয়ে ট্রেনকে স্বাগত জানান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। নতুন স্টপেজ ঘিরে বারাকপুর স্টেশনে এ দিন কার্যত উৎসবের আবহ তৈরি হয়।
মা তারা এক্সপ্রেস বারাকপুর স্টেশনে স্টপেজের প্রসঙ্গে এদিন বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি বলেন, “এটা আমাদের পরম পাওয়া। এটাই ডবল ইঞ্জিন সরকারের বেনিফিট। বিগত সরকারের আমলে এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় সরকারকে জাত শত্রু বলে মনে করত। রাজ্য সরকারের সহযোগিতা পেলে অনেক দিন আগেই বারাকপুর মেট্রো চলত। প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ থেকে ফুটব্রিজ, আমি বারংবার রেলের উন্নয়ন নিয়ে চিঠি দিয়েছি রেলমন্ত্রকে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে আমি কৃতজ্ঞ একের পর এক আবেদনে সাড়া দিয়েছেন। শুধু তারাপীঠ নয়, বর্ধমানগামী যাত্রীদের জন্যও খুব সুবিধা হল। প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের কাজ শেষ হলেই আরও দূরপাল্লার ট্রেন এখানে দাঁড়াবে বারাকপুরে। বাণিজ্যিকভাবেও উন্নত হবে পশ্চিমবঙ্গ।”
বরানগর-বারাকপুর মেট্রোর কাজ খুব দ্রুত শুরু হবে বলে আশ্বাস দেন বিধায়ক কৌস্তভ। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী যেখানে গুরুদায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন, তখন এই মেট্রো সম্প্রসারণের কাজ থেমে থাকবে না। চিংড়িহাটা মেট্রোর ১৭ মাসের জট যিনি ১৭ দিনে করতে পারেন, তিনি অনেক কিছু করতে পারেন বলেই আমার বিশ্বাস।” তাহলে কি চলতি বছরের শেষেই বরানগর-বারাকপুরে মেট্রোর কাজ শুরু হবে? সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে বিধায়ক আশ্বস্ত করেন, “টেকনিক্যাল সমস্যা না থাকলে আশা করা যায় এ বছর কাজ শুরু না হওয়ার কিছু নেই।”
