
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটমুখী উত্তরাখণ্ডে ফের তুঙ্গে কংগ্রেস-বিজেপি সংঘাত। কংগ্রেসের অভিযোগ, দলীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে দলিত হওয়ায় তাঁর সভাস্থল ‘শুদ্ধিকরণ’ করেছে বিজেপি-ঘনিষ্ঠ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যরা। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে বিজেপি। পালটা গেরুয়া শিবিরের দাবি, খাড়গের সভা থেকে সনাতন ধর্মকে অপমান করা হয়েছিল, তারই প্রতিবাদে ওই কর্মসূচি। দুই দলের পরস্পরবিরোধী অভিযোগে ভোটের আগে উত্তরাখণ্ডের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ল।
বিতর্কের সূত্রপাত মল্লিকার্জুন খাড়গের সভা থেকে। দিন দুই আগে ভোটমুখী উত্তরাখণ্ডের হলদিওয়ানির রামলীলা ময়দানে সভা করেন কংগ্রেস সভাপতি। পরদিনই ওই সভাস্থলে রীতিমতো পুজো অর্চনা করে ওই সভাস্থলে শুদ্ধিকরণ করায় একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। রাম সেনা নামের ওই সংগঠনের শুদ্ধিকরণের ছবি-ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় সরিয়ে পড়তেই আসরে নামে কংগ্রেস। তাঁদের দাবি, মল্লিকার্জুন খাড়গে দলিত হওয়ায় তাঁর সভাস্থল শুদ্ধিকরণ করছে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হিন্দুত্ববাদী সংগঠন।উত্তরাখণ্ড প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গণেশ গৌডিয়াল বলছেন, “এটাই বিজেপি এবং কংগ্রেসের আদর্শগত ফারাক। খাড়গে দলিত হওয়ায় এভাবে শুদ্ধিকরণ করা হল। এটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। গোটা দলিত সমাজকে অপমান।” প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির সাফ কথা, যারা এই ঘৃণ্য কাজটি করেছেন, তাঁরা সকলেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। স্থানীয় পুলিশ সুপার কেন ব্যবস্থা নিলেন না, সে প্রশ্নও তুলছেন কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি। কংগ্রেস অন্যান্য নেতারাও এই বিষয়টি নিয়ে সরব।
যদিও বিজেপি ওই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্পষ্টত অস্বীকার করেছে। গেরুয়া শিবির বলছে, শ্রীরাম সেনার সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, খাড়গের সভা থেকে আপত্তিকর কিছু স্লোগান উঠেছিল। অন্য ধর্মের জয়ধ্বনি করা হয়েছিল। রামলীলা ময়দান সনাতনীদের জন্য আবেগের জায়গা। সনাতনীরা ওই সব শ্লোগানে আঘাত পেয়েছেন।
