Breaking News
 
Sharadwat Mukhopadhyay Statement: চিকিৎসকদের ৯৬ ঘণ্টা টানা ডিউটির নির্দেশ? বিতর্কের মাঝে মুখ খুললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী Ration scam: মন্ত্রীর সামনে কান ধরে ওঠবস, তবু শেষরক্ষা হল না! অনিয়মের অভিযোগে গ্রেপ্তার রেশন ডিলার Suruchi Sangha: দুর্গাপুজোর আগেই সুরুচিতে পালাবদল, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’দের সরিয়ে নতুন কমিটির দায়িত্বে বিজেপি বিধায়ক Suvendu Adhikari: শ্রাবণ মাসে নতুন আয়োজন সরকারের,পুণ্যার্থীদের স্বাগত জানাতে হেলিকপ্টারে পুষ্পবৃষ্টির পরিকল্পনা TMC 21 July: ধর্মতলায় জমায়েত বন্ধ কেন? পুলিশের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে মমতাপন্থী তৃণমূল Rajya Sabha Nomination: পদ্ম প্রতীকে ফের রাজ্যসভায় ফেরার প্রস্তুতি, শুভেন্দু-শমীককে পাশে নিয়ে মনোনয়ন সুখেন্দুদের

 

West Bengal

2 months ago

West Bengal Election Result: তৃণমূলের ভরাডুবি বীরভূম-বর্ধমানে, কেষ্ট-কাজল দ্বন্দ্বেই বিজেপির উত্থান?

কেষ্ট-কাজল
কেষ্ট-কাজল

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বীরভূম জেলার নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উঠে আসছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখ-এর মধ্যে চলা রাজনৈতিক মতভেদ জেলার ভোটের ওপর প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। জেলার ১১টি আসনের মধ্যে ৬টিতে বিজেপি এবং ৫টিতে তৃণমূল জয়ী হয়েছে। অনুব্রত মণ্ডলের জেলযাত্রার পর কাজল শেখের রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পায় এবং তিনি জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও তৃণমূলের জেলা কোর কমিটির সদস্য হন। পরবর্তীতে অনুব্রত মণ্ডলের প্রত্যাবর্তনের পর দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতি নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

দু’জনেই একাধিকবার প্রকাশ্যে একে অপরের বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করেছেন এমনকি বিভিন্ন সরকারি বা দলীয় অনুষ্ঠানে একমঞ্চে না থাকারও চেষ্টা করেছেন। তবে এই ঘটনায় জেলায় দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। দলের মধ্যেই যেন আরও একটি দল তৈরি হয়ে যায়, যেখানে একপক্ষের সঙ্গে অন্যপক্ষের কার্যত মুখ দেখাদেখি বন্ধ। তৃণমূলের একাংশের দাবি, জেলার এই রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেকাংশেই এই ফলের জন্য দায়ী। জেলার যে যে বিধানসভা কেন্দ্রে কাজল শেখ বা তাঁর অনুগামীদের টিকিট দেওয়া হয়, সেখানে কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে যান অনুব্রত অনুগামীরা। অন্যদিকে অনুব্রতের মনোমতো প্রার্থীদের জেতাতে সেভাবে গা লাগাননি কাজল অনুগামীরা। ফলে যা হওয়ার তাইই হয়েছে। দলীয় কর্মীদের একশো শতাংশ অংশগ্রহণ না থাকায় বিজেপি অনেকটাই বেশি সুযোগ পেয়েছে।

তৃণমূলের দাবি, এবার কাজল শেখ নিজে হাসন কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছিলেন, পাশাপাশি তাঁর অনুগামী হিসাবে পরিচিত বিধান চন্দ্র মাঝি নানুর বিধানসভায় এবং নরেশ চন্দ্র বাউরী দুবরাজপুর বিধানসভায় তৃণমূলের টিকিট পান। এর মধ্যে হাসনে জয়ী হওয়া কাজলের কাছে সম্মানের লড়াই ছিল। অন্যদিকে নানুরের ভূমিপুত্র কাজল শেখের কাছে নানুরে তৃণমূল প্রার্থীকে জয়ী করারও চ্যালেঞ্জ ছিল। এই দুই ক্ষেত্রেই সফল কাজল। যদিও দুবরাজপুর আসনে নিজের প্রার্থীকে জয়ী করতে পারেননি কাজল। অন্যদিকে সাঁইথিয়া, সিউড়ি, ময়ূরেশ্বর ও বোলপুর আসনের প্রার্থীরা অনুব্রতর আশীর্বাদধন্য হলেও একমাত্র বোলপুর ছাড়া আর একটি আসনেও জয়ী হতে পারেননি তাঁরা। দুই ক্ষেত্রেই যে পক্ষের প্রার্থী তার অপর পক্ষের নেতাদের অসহযোগিতা এই ফলাফলের জন্য বিশেষভাবে দায়ী বলে অভিযোগ উভয়পক্ষের তরফেই।

You might also like!