kolkata

1 hour ago

Rajya Sabha Nomination: পদ্ম প্রতীকে ফের রাজ্যসভায় ফেরার প্রস্তুতি, শুভেন্দু-শমীককে পাশে নিয়ে মনোনয়ন সুখেন্দুদের

Susmita deb sukhendu sekhar roy and prakashchik baraik give nomination of rajya sabha
Susmita deb sukhendu sekhar roy and prakashchik baraik give nomination of rajya sabha

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  দলবদলের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যসভার প্রার্থী হয়ে আলোচনায় থাকা তিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ এবার মনোনয়ন জমা দিলেন। সুখেন্দুশেখর রায়, প্রকাশ চিক বরাইক ও সুস্মিতা দেব সোমবার বিধানসভায় গিয়ে তাঁদের মনোনয়নপত্র পেশ করেন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন। পরে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও সেখানে উপস্থিত হন। শুভেন্দু ও শমীককে সঙ্গে নিয়েই তিন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। বর্তমান বিধানসভার সংখ্যার হিসাব অনুযায়ী, এই তিনটি রাজ্যসভা আসনে প্রার্থী দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই বিরোধী তৃণমূল। ফলে বিজেপির প্রতীকে সুখেন্দুশেখর, প্রকাশ ও সুস্মিতার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। 

গত বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই বিকেলে সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে গিয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে দলে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল ছেড়ে আসা সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক। তাঁরা সকলেই জোড়াফুল শিবির থেকে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। কিন্তু ছাব্বিশের ভোটে দলের হতশ্রী দশায় ক্ষোভ উগরে দলত্যাগ করেন এবং রাজ্যসভার পদও ছেড়ে দেন। ওই তিনটি আসন ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় ভোট হচ্ছে আগামী ২৪ জুলাই। কিন্তু সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ, সংসদের উচ্চকক্ষে ছেড়ে আসা তিন আসনে ফিরছেন তাঁরাই। এবার শুধুমাত্র প্রতীক বদল করে। এতদিন ঘাসফুলের জনপ্রতিনিধি ছিলেন। এখন থেকে তাঁরা হবেন পদ্মশিবিরের সাংসদ। 


সোমবার তৃণমূলত্যাগী তিন প্রার্থীর বিধানসভায় গিয়ে মনোনয়ন দেওয়ার কথা ছিল। সেইমতো বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁরা পৌঁছে যান বিধানসভায়। তাঁদের পরপরই যান বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। বিধানসভায় ভানুভক্তের ছবিতে মাল্যদানের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তিন প্রার্থী – সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইকের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর সঙ্গে মনোনয়ন পেশ করতে যান তিনজন। দলের চিহ্ন হিসেবে তাঁদের গলায় ছিল গেরুয়া উত্তরীয়। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, ‘‘রাজ্যসভার সাংসদ পদ আমি ছেড়ে এসেছিলাম। সেই শূন্যপদ পূরণের জন্য আজ ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী হয়ে আমি মনোনয়ন জমা দিলাম। সঙ্গে সঙ্গে আমার নির্বাচনী পদ্ধতি শুরু হয়েছে। সেটা শেষের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তার আগে আর কিছু বলব না।” 

You might also like!